তাবলিগ অর্থ দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছে দেয়া। এটি সকল মুসলমানের জন্য একান্ত কর্তব্য। ইসলাম সম্পর্কে মানুষের কাছে যে যতটুকু জানেন ততটুকুই অন্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। এ দাওয়াত অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি মুসলমানদেরও দেয়া যায়। একজন মুসলমানকে অবশ্যই বিনয়ী হতে হবে। হযরত মুহাম্মদ সাঃ এর কোমল ব্যবহার দেখে এবং তাঁর চারিত্রিক মাধুর্যতার কারণে অনেক বিধর্মী পবিত্র ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। আমাদের মুখ দিয়ে উচ্চারিত প্রতিটি শব্দের জন্য আমাদেরকে পরকালে জবাব দিতে হবে। যদি আমরা উত্তম কথা বলি তাহলে যেমন পুরস্কার পাব তেমনি খারাপ ব্যবহারের জন্য রয়েছে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। কেননা মানুষ যে কথাই উচ্চারণ করে তা লিপিবদ্ধ করার জন্য তৎপর প্রহরী আমাদে সাথেই রয়েছে। একা একা নিজগৃহে বসে অথবা অন্য কোন নিরিবিলি যায়গায় ধ্যানমগ্ন হয়ে দিন কাটানোর কথা ইসলামে বলা হয়নি। একজন মুসলমানকে সমাজে বসবাস করতে হবে। হাদিসে বর্ণিত আছে, যে মুমিন মানুষের সাথে উঠ-বস করে এবং তাদের নির্যাতনের উপর ধৈর্য্য ধারণ করে সে মুমিন উত্তম, এমন মুমিন হতে যে মানুষের সাথে উঠবস করেনা এবং তাদের কষ্টের উপর ধৈর্য ধারণ করেনা।
দাওয়াতের ক্ষেত্রে তাওহিদকে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে। প্রত্যেক নবি ও রাসুল তাদের উম্মৎকে তাওহিদের দাওয়াত দিয়েছেন। মুসলমনদের পঠিত প্রথম কালিমাটির অর্থ আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করোনা। আর আল্লাহ ছাড়া কারো ইবাদত করো না। তাই যারা গাইরুল্লাহর ইবাদত করে তাদেরকে এক আল্লাহর দিকে আহবান করা প্রতিটি মুসলমানের কর্তব্য। মুসরমানদের মধ্যে ফেৎনা সৃষ্টি করা নিষিদ্ধ। এটি কঠিন গোনাহের কাজ। তবে ফেৎনা বলতে কী বুজায় তাও আমাদের বুঝতে হবে। একজন লোক ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে। কিন্তু তাঁর নামাজটা রসুল সাঃ এর আদর্শ মোতাবেক হচ্ছে না। আপনি যদি বলেন- ভাই আপনার নামাজটা রসূল সাঃ এর নির্দেশিত পন্থা অনুযায়ী হচ্ছে না। সহিহ হাদিস দেখুন নামাজের সঠিক নিয়ম কোনটি ? তাহলে কী ফেৎনা সৃষ্টি হবে? আল্লাহ বলেছেন- তাঁর চেয়ে উত্তম কথা আর কোন ব্যক্তির হতে পারে যে মানুষদের আল্লাহ তায়ালার দিকে ডাকেএবং সে নিজেও নেক কাজ করে এবং বলে আমিতো মুসলমানদেরই একজন ( হা- মীম সেজদাহ- ৩৩)। তবে দ্বীনের দাওয়াত দিতে গিয়ে দ্বীনের মধ্যে নতুন কিছু যোগ করা যাবে না। রসুল সাঃ জীবিত থাকাকালীন সময়েই ইসলাম একটি পূর্নাঙ্গ জীবন ব্যব¯হা হিসেবে পূর্ণতা লাভ করেছে। বিদায় হজ্বের ভাষণের পর কোরানের একটি আয়াত ( সূরা মায়িদা-৩ ) নাজিল হয়। এতে ঘোষণা দেয়া হয়- আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম। তোমাদের প্রতি আমার অবদান সম্পূর্ণ করে দিলাম। এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম। ধর্মীয় রীতিনীতির মধ্যে কিছু যোগ করা উচিত নয়। রাসূল সাঃ বলেন- তোমরা ( দ্বীনের মধে) নব প্রচলিত বিষয়সমুহ থেকে সতর্ক থাকো। কেননা প্রত্যেক নতুন বিষয় বিদাাত এবং প্রত্যেক বিদআত ভ্রষ্টতা। ” সুনান আবু দাউদ ৩৯৯১।
দ্বীনের দাওয়াত আপনি পরিবার থেকেই শুরু করুন। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পবিত্র কুরআনে বলেছেন- তোমরা তোমাদের পরিবার-পরিজনকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও। সুতরাং স্বামী/ স্ত্রী, ছেলে- মেয়ে, ভাই- বোন এমনকি পিতা- মাতার কাছে আপনি সত্যিকারের ইসলামী দাওয়াত পৌঁছে দিতে পারেন। আমরা যদি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আদর্শ মোতাবেক কৃষি কাজ করি, ব্যবসা-বাণিজ্যে অংশগ্রহণ করি কিংবা অন্য কোথাও চাকুরিতে নিয়োজিত হই তাহলে সেট্ িইবাদতের অন্তর্ভূক্ত হবে। প্রত্যোকে তাঁর কর্মকে ক্ষেত্রে থেকেই দ্বীনের তাবলিগ করতে পারেন। আপনার আহবানে যদি একজন অমুসলমান সত্যের পথে আসে অথবা একজন বেনামাজী মুসলমান নিয়মিত নামাজ পড়ে তাহলে আপনিও পূন্যের অংশিদার হবেন। তাই আমাদের প্রত্যোকের উচিত সাধ্যমত দাওয়াতি কাজে অংশগ্রহণ করা।
লেখকঃ মমিনুল ইসলাম মোল্লা, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক , সাংবাদিক, ধর্মীয় গবেষক, কুমিল্লা।
দাওয়াতের ক্ষেত্রে তাওহিদকে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে। প্রত্যেক নবি ও রাসুল তাদের উম্মৎকে তাওহিদের দাওয়াত দিয়েছেন। মুসলমনদের পঠিত প্রথম কালিমাটির অর্থ আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করোনা। আর আল্লাহ ছাড়া কারো ইবাদত করো না। তাই যারা গাইরুল্লাহর ইবাদত করে তাদেরকে এক আল্লাহর দিকে আহবান করা প্রতিটি মুসলমানের কর্তব্য। মুসরমানদের মধ্যে ফেৎনা সৃষ্টি করা নিষিদ্ধ। এটি কঠিন গোনাহের কাজ। তবে ফেৎনা বলতে কী বুজায় তাও আমাদের বুঝতে হবে। একজন লোক ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে। কিন্তু তাঁর নামাজটা রসুল সাঃ এর আদর্শ মোতাবেক হচ্ছে না। আপনি যদি বলেন- ভাই আপনার নামাজটা রসূল সাঃ এর নির্দেশিত পন্থা অনুযায়ী হচ্ছে না। সহিহ হাদিস দেখুন নামাজের সঠিক নিয়ম কোনটি ? তাহলে কী ফেৎনা সৃষ্টি হবে? আল্লাহ বলেছেন- তাঁর চেয়ে উত্তম কথা আর কোন ব্যক্তির হতে পারে যে মানুষদের আল্লাহ তায়ালার দিকে ডাকেএবং সে নিজেও নেক কাজ করে এবং বলে আমিতো মুসলমানদেরই একজন ( হা- মীম সেজদাহ- ৩৩)। তবে দ্বীনের দাওয়াত দিতে গিয়ে দ্বীনের মধ্যে নতুন কিছু যোগ করা যাবে না। রসুল সাঃ জীবিত থাকাকালীন সময়েই ইসলাম একটি পূর্নাঙ্গ জীবন ব্যব¯হা হিসেবে পূর্ণতা লাভ করেছে। বিদায় হজ্বের ভাষণের পর কোরানের একটি আয়াত ( সূরা মায়িদা-৩ ) নাজিল হয়। এতে ঘোষণা দেয়া হয়- আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম। তোমাদের প্রতি আমার অবদান সম্পূর্ণ করে দিলাম। এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দ্বীন হিসেবে পছন্দ করলাম। ধর্মীয় রীতিনীতির মধ্যে কিছু যোগ করা উচিত নয়। রাসূল সাঃ বলেন- তোমরা ( দ্বীনের মধে) নব প্রচলিত বিষয়সমুহ থেকে সতর্ক থাকো। কেননা প্রত্যেক নতুন বিষয় বিদাাত এবং প্রত্যেক বিদআত ভ্রষ্টতা। ” সুনান আবু দাউদ ৩৯৯১।
দ্বীনের দাওয়াত আপনি পরিবার থেকেই শুরু করুন। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পবিত্র কুরআনে বলেছেন- তোমরা তোমাদের পরিবার-পরিজনকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও। সুতরাং স্বামী/ স্ত্রী, ছেলে- মেয়ে, ভাই- বোন এমনকি পিতা- মাতার কাছে আপনি সত্যিকারের ইসলামী দাওয়াত পৌঁছে দিতে পারেন। আমরা যদি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আদর্শ মোতাবেক কৃষি কাজ করি, ব্যবসা-বাণিজ্যে অংশগ্রহণ করি কিংবা অন্য কোথাও চাকুরিতে নিয়োজিত হই তাহলে সেট্ িইবাদতের অন্তর্ভূক্ত হবে। প্রত্যোকে তাঁর কর্মকে ক্ষেত্রে থেকেই দ্বীনের তাবলিগ করতে পারেন। আপনার আহবানে যদি একজন অমুসলমান সত্যের পথে আসে অথবা একজন বেনামাজী মুসলমান নিয়মিত নামাজ পড়ে তাহলে আপনিও পূন্যের অংশিদার হবেন। তাই আমাদের প্রত্যোকের উচিত সাধ্যমত দাওয়াতি কাজে অংশগ্রহণ করা।
লেখকঃ মমিনুল ইসলাম মোল্লা, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক , সাংবাদিক, ধর্মীয় গবেষক, কুমিল্লা।
0 Comments