জাতিসংঘ শান্তি মিশনে দেবীদ্বারের -এলাহাবাদ

জাতিসংঘ শান্তি মিশনে দেবীদ্বারের -এলাহাবাদ

 

জাতিসংঘ শান্তি মিশনে দেবীদ্বারের -এলাহাবাদ

রিপোর্টারের নাম:
  •  আপডেট টাইম Thursday, June 4, 2026 
  •  
  •  20 দেখা হয়েছে

মমিনুল ইসলাম মোল্লা।।
কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলার এলাহাবাদ ইউনিয়ন একটি ঐতিহ্যবাহী জনপদ, যেখানে বহু মানুষ দেশসেবা ও সামরিক পেশার মাধ্যমে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে অবদান রেখে আসছেন। এই এলাকার বহু কৃতি সন্তান বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দিয়ে দেশের প্রতিরক্ষা ও আন্তর্জাতিক শান্তি মিশনে অংশগ্রহণ করেছেন।
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে এবং ১৯৮৮ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ শুরু করে। এই দীর্ঘ যাত্রায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ হিসেবে পরিচিত।
এই বৈশ্বিক শান্তির অভিযাত্রার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এলাহাবাদ ইউনিয়নের নামও। স্থানীয়ভাবে জানা যায়, এই এলাকার বহু ব্যক্তি সেনাবাহিনীতে কর্মরত থেকে বিভিন্ন সময়ে আন্তর্জাতিক দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই শান্তিরক্ষা মিশনে অংশগ্রহণ করেছেন বলে পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে উল্লেখ রয়েছে।
স্থানীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী মরহুম আজগর আলী চেয়ারম্যানকে এলাহাবাদের প্রথম ব্রিটিশ সেনাসদস্য হিসেবে স্মরণ করা হয়। এছাড়া আবদুস সালাম ভূঁইয়া, সার্জেন্ট মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, সার্জেন্ট তমিজ উদ্দিন, আবদুর রাজ্জাক, আবুল কালাম আজাদ, আলমগীর হোসেন এবং সার্জেন্ট (অব.) সফিকুল ইসলামসহ অনেকেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালন করে এলাহাবাদের নাম গৌরবের সঙ্গে যুক্ত করেছেন।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্যরা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ, মানবাধিকার রক্ষা এবং মানবিক সহায়তা প্রদানের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এই কাজ সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বাংলাদেশের শান্তিরক্ষা ইতিহাসে এলাহাবাদের অবদান স্থানীয়ভাবে একটি গর্বের অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রায় ৬০ জনের বেশি ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন বা আছেন বলে স্থানীয়ভাবে জানা যায়, যাদের মধ্যে অনেকে আন্তর্জাতিক মিশনে অংশগ্রহণ করেছেন।
এই গৌরবময় ইতিহাস এলাহাবাদকে শুধু একটি গ্রামের পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখে না, বরং দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা এবং আন্তর্জাতিক দায়িত্ববোধের একটি উদাহরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
শান্তির এই দীর্ঘ যাত্রায় এলাহাবাদের সন্তানদের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা জোগাবে। তাঁদের এই অংশগ্রহণ স্থানীয় ইতিহাসে একটি স্মরণীয় ও গর্বের অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
লেখক: মমিনুল ইসলাম মোল্লা, সাংবাদিক, উইকি সংকলক ও গুগল কন্ট্রিবিউটর, কুমিল্লা।

 নব্বই দশকের কূরবানীর গরুর কথা//মমিনুল ইসলাম মোল্লা।।

নব্বই দশকের কূরবানীর গরুর কথা//মমিনুল ইসলাম মোল্লা।।

 নব্বই দশকের কূরবানীর গরুর কথা//মমিনুল ইসলাম মোল্লা।।

আছরের নামাজ শেষ হতেই গ্রামের পথগুলো যেন অন্যরকম ব্যস্ত হয়ে উঠল। কুরবানির ঈদ আর মাত্র দুইদিন বাকি। দাদা উঠানে বসে পান চিবুচ্ছিলেন, আর বাবা শরিকদের সাথে গরুর হিসাব মিলাচ্ছিলেন। আমাদের গরুটি তখন গোয়ালঘরের ভেতরে “খোঁয়াড়ে ফেলা” অবস্থায় দাঁড়িয়ে। মাটিতে ছোট্ট গর্ত করে তার পেছনের অংশ নামিয়ে রাখা হয়েছে। বাবা বললেন,

— “এতে পাছায় মাংস বেশি হয় রে!”

আমি দূর থেকে গরুটার দিকে তাকিয়ে ছিলাম। বিশাল কালো ষাঁড়। মাথায় লাল কাপড় বাঁধা, শিংয়ে সাদা রঙের নকশা। গলায় গাঁদা ফুলের মালা ঝুলছে। মোহনপুর দিঘিরপাড় বাজার থেকে কিনে আনা হয়েছে পনেরো দিন আগে। শুনেছি, হাটে নাকি সবাই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছিল। জহির মুন্সীর আঠারো হাজার টাকার গরুর পর এটাকেই সবচেয়ে বড় বলা হচ্ছিল।

আমাদের বাড়িতে দুদিন থাকার পর গরুটি আবার অন্য শরিকের বাড়িতে যাবে। তখন প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই গরু রাখার আলাদা ঘর ছিল। মা প্রতিদিন খড়, ভুসি আর কাঁঠালের পাতা এনে খাওয়াতেন। যেন কুরবানির গরু নয়, বাড়িরই এক সদস্য।

ঈদের আগের রাতে গ্রামের ছেলেরা এসে গরুর দাঁত দেখতে লাগল। একজন বলল,

— “দুই দাঁত পার করছে, দাম ঠিকই হইছে।”

আরেকজন পাশে বাঁধা এক বুড়ো গাই গরু দেখে হেসে উঠল,

— “গাইও বুড়া, বিয়ানও শেষ!”

সবাই হো হো করে হেসে উঠল।

কুরবানির দিন সকালবেলা গ্রামের বাতাসে অন্যরকম গন্ধ। তাকবির, মানুষের হাঁকডাক, আর রান্নার ধোঁয়া মিলে এক অদ্ভুত আবহ। কুরবানি শেষে দাদা গরুর ভূড়ি আর খুরগুলো গরিবদের দিয়ে দিলেন। বললেন,

— “এটাই তো ঈদের আসল আনন্দ।”

কিন্তু আমাদের ভাগে যে মাংস এল, তার বেশিরভাগই ছিল শক্ত আর বয়স্ক গরুর। মা বিকেলেই চুলায় বসালেন। মাংস সিদ্ধ হতে হতে এশার আজান পড়ে গেল। মনির ভাইয়ের আজান ভেসে এলো মসজিদ থেকে। নামাজ শেষে কেরোসিনের বাতি জ্বালিয়ে আমরা মাটির ঘরে বসে খেতে শুরু করলাম।

দাদা নিজের হাতে কাজী লেবু কেটে মাংসের ওপর চিপে দিলেন। সেই টক গন্ধে পুরো ঘর ভরে গেল। আমি প্রথম লোকমা মুখে দিয়েই বুঝেছিলাম—এই স্বাদ শুধু মাংসের নয়, এই স্বাদ নব্বই দশকের গ্রামের, মানুষগুলোর, আর হারিয়ে যাওয়া এক সরল সময়ের।

লেখক পরিচিতি -মমিনুল ইসলাম মোল্লা শিক্ষক সাংবাদিক ও কলামিস্ট, কুমিল্লা।।

বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র 'ওয়াই' (Y) আকৃতির সেতু

বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র 'ওয়াই' (Y) আকৃতির সেতু

 বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র 'ওয়াই' (Y) আকৃতির সেতু হলো তিতাস নদীর ওপর নির্মিত শেখ হাসিনা তিতাস সেতু, যা স্থানীয়ভাবে ওয়াই ব্রিজ নামে পরিচিত। [1, 2]

📍 অবস্থান ও সংযোগ
এই সেতুটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর, কুমিল্লার হোমনা এবং মুরাদনগর উপজেলার ত্রিমোহনায় অবস্থিত। এটি নদীর তিন পারকে ইংরেজি 'Y' অক্ষরের মতো সংযুক্ত করেছে। [1, 2]
🌉 মূল বৈশিষ্ট্য
  • নির্মাণ ব্যয় ও দৈর্ঘ্য: সেতুটির দৈর্ঘ্য ৭১১ মিটার (প্রস্থ ৮.১০ মিটার), নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা।
  • সুযোগ-সুবিধা: এই সেতুটি চালু হওয়ার পর বাঞ্ছারামপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদরের মধ্যকার দূরত্ব ১২ কিলোমিটার কমে যায়।
  • যোগাযোগ ব্যবস্থা: তিন উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনার পাশাপাশি, এটি রাজধানী ঢাকার সাথে যাতায়াতকে আরও সহজতর করেছে। [1, 2]
সেতুটির চারপাশের চমৎকার প্রাকৃতিক দৃশ্য ও গঠনশৈলী একে একটি আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থানে পরিণত করেছে। [1, 2]
ফাইনাল-ইউনিয়ন ভিত্তিক মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা  ফাইনাল

ফাইনাল-ইউনিয়ন ভিত্তিক মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা ফাইনাল

 

ইউনিয়ন ভিত্তিক মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা  ফাইনাল


১নং শ্রীকাইল ইউনিয়ন

১. শাহগদা — মোর্শেদুল হক (পিতা: আবদুল লতিফ)
২. শাহগদা — আমির হোসেন (পিতা: সাজেত আলী)
৩. চন্দনাইল — মোঃ আবুল কালাম (পিতা: মোঃ ময়নাল হোসেন)
৪. চন্দনাইল — শহীদুল হক (পিতা: মুছী কফিল উদ্দিন)

তথ্য সূত্র : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

২নং আকুবপুর ইউনিয়ন

১. মেটংঘর — সরহদ আঃ মান্নান (পিতা: মৃত মুল্লি লাল মিয়া)
২. মেটংঘর — ইয়াকুব আলী (পিতা: মোঃ মালেক হোসেন)
৩. পাক বলীঘর — মোঃ আবুল কাশেম (পিতা: মোঃ আব্দুর রশিদ)
৪. পাক বলীঘর — সুরুজ মিয়া (পিতা: মৃত তালেব মিয়া)
৫. পীরকাশিমপুর — আজহার হোসেন মানিক (পিতা: মোঃ মহিউল হোসেন)

তথ্য সূত্র : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

৩নং আন্দিকুট ইউনিয়ন

১. দেওড়া — আঃ রহিম (পিতা: আলী আহমদ)
২. দেওড়া — মোঃ জসিম উদ্দিন (পিতা: চান মিয়া)
৩. বারের্বর — সহিদ মিয়া (পিতা: আবদুল মান্নান)
৪. বারের্বর — মোঃ আবুল কাশেম (পিতা: মৃত সিরাজ আলী)
৫. গাঙ্গেরকুট — আবদুল ওয়াহিদ মিয়া (পিতা: আবদুল মান্নান মিয়া)
৬. গাঙ্গেরকুট — মোসলেহ উদ্দিন সরকার (পিতা: মুল্লি চাঁন মিয়া)
৭. গাঙ্গেরকুট — মৃত মজিবুর রহমান (পিতা: মৃত গিয়াস উদ্দিন)
৮. ইসলামপুর — ইউনুস আহমেদ (পিতা: আব্দুল ওয়াদুদ খন্দকার)

তথ্য সূত্র : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

৪নং পূর্বধইর ইউনিয়ন

১. কোরবানপুর — মোঃ নুরুল হক (পিতা: মৃত মোঃ সোনামিয়া ভূইয়া)
২. কোরবানপুর — মোঃ জাকারিয়া (পিতা: সিরাজ আলি)
৩. কোরবানপুর — মোঃ শাহজাহান মিয়া (পিতা: আহাম্মদিন মিয়া)
৪. জানঘর — মোঃ মজিবুর রহমান ভূইয়া (পিতা: আলহাজ আলী আজ্জম)

তথ্য সূত্র : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

৬নং বাংগরা ইউনিয়ন

১. বাংগরা — সামছুল হক (পিতা: মুছী দেলোয়ার হোসেন)
২. বাংগরা — মৃত ইব্রাহিম (পিতা: মৃত সৈয়দ আলী)
৩. বাংগরা — ফরেজুর রহমান (পিতা: মৃত আঃ মামান)
৪. সীমানারপাড় — গোলাম রব্বানী (পিতা: মৃত আশরাফ আলী)
৫. কাগাতুয়া — মোঃ হারুন অর রশিদ (পিতা: মৃত কফিল উদ্দিন)
৬. কালারাইয়া — মোঃ সিদ্দিক (পিতা: মনির উদ্দিন আহমেদ)

তথ্য সূত্র : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

৮নং চাপিতলা ইউনিয়ন

১. পুস্করিনীরপাড় — মোঃ লুৎফর রহমান (পিতা: মোঃ মাজিদুল ইসলাম)
২. রাজা চাপিতলা — জয়নাল আবেদীন (পিতা: হাজী মোঃ নুরুল ইসলাম)
৩. রাজা চাপিতলা — সুলতান আহাম্মদ (পিতা: মৃত হাফিজ উদ্দিন)

তথ্য সূত্র : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

১০নং যাত্রাপুর ইউনিয়ন

১. যাত্রাপুর — আঃ ছাব্বার (পিতা: মৃত আঃ আজিজ)

তথ্য সূত্র : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

১২নং রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন

১. বাখরাবাদ — মোঃ ইদ্রিস আলী (পিতা: নায়ের আলী সরকার)

তথ্য সূত্র : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

১৩নং মুরাদনগর ইউনিয়ন

১. ঘোড়াশাল — মোঃ জয়নাল আবেদীন মোল্লা (পিতা: মোঃ আসমত আলী মোল্লা)
২. ঘোড়াশাল — মোঃ লুৎফর রহমান (পিতা: আয়েত আলী)
৩. রামপুর — আঃ মালেক (পিতা: মৃত আফাজ উদ্দিন)

তথ্য সূত্র : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

১৪নং নবীপুর ইউনিয়ন

১. গুঞ্জর — মৃত আঃ আলীম (পিতা: মৃত আঃ মামান)
২. বাখরনগর — মোঃ ইদ্রিস আলী (পিতা: নায়ের আলী সরকার)

তথ্য সূত্র : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

১৫নং নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়ন

১. নোয়াকান্দি — ফরিদ উদ্দিন আহমদ (পিতা: মৃত সুন্দর আলী সরকার)
২. চৌধুরীকান্দি — মোঃ গাজী ভূইয়া (পিতা: মৌলভী আঃ মালেক ভূইয়া)

তথ্য সূত্র : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

১৬নং ধামঘর ইউনিয়ন

১. পরমতলা — কাশেম (পিতা: রহমান মোল্লা)
২. কৃষ্ণপুর — মীর মোস্তফা কামাল (পিতা: মীর মোঃ সুজাত আলী)

তথ্য সূত্র : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

১৭নং জাহাপুর ইউনিয়ন

১. শুশুন্ডা — আঃ কাদের (পিতা: মৃত আঃ ছোবান)

তথ্য সূত্র : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

১৮নং ছালিয়াকান্দি ইউনিয়ন

১. সুবিলাচর — বিদ্যুৎ কুমার সাহা (পিতা: ধীরেন্দ্র চন্দ্র সাহা)

তথ্য সূত্র : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

১৯নং দারোরা ইউনিয়ন

১. দারোরা — আঃ ওহাব (পিতা: মৃত আঃ ছোবান)
২. দিঘিরপাড় — আঃ মতিন (পিতা: মৃত আঃ রউফ)
৩. দিঘিরপাড় — রশিদ সরকার (পিতা: কলিম উদ্দিন)

তথ্য সূত্র : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

২০নং পাহাড়পুর ইউনিয়ন

১. উছরাইন — খোরশেদ আলম (পিতা: মৃত আফতাব উদ্দিন)
২. চৌহদী — সাফর আলী (পিতা: মোহাঃ সোনা মিয়া)
৩. পাহাড়পুর — মোঃ আব্দুল মালেক (পিতা: মোঃ কালু ফকির)
৪. পাহাড়পুর — মৃত আঃ ছামাদ (পিতা: মৃত রোশন আলী)

তথ্য সূত্র : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

 == প্রশাসনিক কাঠামো ==

মুরাদনগর উপজেলা ২টি থানা, ২২টি ইউনিয়ন এবং গ্রামের নাম সমূহ

🔴 মুরাদনগর থানা
🔴 বাঙ্গরাবাজার থানা
🔘 মুরাদনগর থানার আওতাধীন ১২টি ইউনিয়ন
৯নং কামাল্লা
১০নং যাত্রাপুর
১১নং রামচন্দ্রপুর দক্ষিণ
১৩নং মুরাদনগর সদর
১৪নং নবীপুর পূর্ব
১৫নং নবীপুর পশ্চিম
১৬নং ধামঘর
১৭নং জাহাপুর
১৮নং ছালিয়াকান্দি
১৯নং দারোরা
২০নং পাহাড়পুর
২১নং বাবুটিপাড়া
🔘 বাঙ্গরাবাজার থানার আওতাধীন ১০টি ইউনিয়ন
১নং শ্রীকাইল
২নং আকুবপুর
৩নং আন্দিকোট
৪নং পূর্বধইর পূর্ব
৫নং পূর্বধইর পশ্চিম
৬নং বাঙ্গরা পূর্ব
৭নং বাঙ্গরা পশ্চিম
৮নং চাপিতলা
১২নং রামচন্দ্রপুর উত্তর
২২নং টনকী
⭕️

১। শ্রীকাইল ইউনিয়নের গ্রামসমূহ হচ্ছে: ১) সল্পা, ২) আলীপুর, ৩) পিপড়ীয়াকান্দা, ৪) ভাঙ্গা নগর, ৫) পিপড়ীয়া, ৬) কালিসীমা, ৭) উত্তর পেন্নই, ৮) চন্দনাইল, ৯) সাহেবনগর, ১০) বড়িয়াচারা, ১১) চুলরিয়া, ১২) রোয়াচালা, ১৩) শালধর, ১৪) পাজিরপাড়, ১৫) শাহগদা, ১৬) ভূতাইল, ১৭) মনোহরাবাদ, ১৮) শ্রীকাইল, ১৯) সোনাকান্দা, ২০) সাহেদাগোফ, ২১) রাজনগর, ২২) চারিপাড়া, ২৩) দক্ষিণ ইছাপুরা, ২৪) মোহাম্মদপুর।
সূত্র : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)

২। আকুবপুর ইউনিয়নের গ্রামসমূহ হচ্ছে: ১) আকুবপুর, ২) পীরকাশিমপুর, ৩) বাঐখার, ৪) বাজাবাড়ী, ৫) পাকবলীঘর, ৬) গাজীপুর, ৭) কড়ইবাড়ী, ৮) মেটংঘর, ৯) পান্ডুঘর, ১০) কুড়েরপাড়, ১১) হোসনাবাদ, ১২) ঘোড়াশাল, ১৩) পশ্চিম জাঙ্গাল।
সূত্র : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)

৩। আন্দিকুট ইউনিয়নের গ্রামসমূহ হচ্ছে: ১) হায়দরাবাদ, ২) গাঙ্গেরকুট, ৩) গনিপুর, ৪) কইশার, ৫) সুনারামপুর, ৬) হাটবলিবাড়ী, ৭) দেওড়া, ৮) ডালপা, ৯) ফুলঘর, ১০) বারেশ্বর, ১১) আন্দিকুট, ১২) ইসলামপুর, ১৩) পূর্বজাঙ্গাল, ১৪) জাড্ডা (জারেরা)।
সূত্র : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)

৪। পূর্বধইর উত্তর ইউনিয়নের গ্রামসমূহ হচ্ছে: ১) কোরবানপুর, ২) চাপৈর উত্তর, ৩) চাপৈর দক্ষিণ, ৪) খোষঘর, ৫) জয়নগর, ৬) জানঘর, ৭) হিরাপুর।
সূত্র : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)

৫। পূর্বধইর দক্ষিণ ইউনিয়নের গ্রামসমূহ হচ্ছে: ১) পূর্বধইর, ২) মহেশপুর, ৩) নৈরপাড়, ৪) নবীয়াবাদ, ৫) হাটাশ, ৬) এলখাল, ৭) কদমতলী, ৮) মালীপাড়া, ৯) খৈয়াখালী, ১০) দৌলাবাড়ী।
সূত্র : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)

৬। বাঙ্গরা পূর্ব ইউনিয়নের গ্রামসমূহ হচ্ছে: ১) বাঙ্গরা, ২) সীমানারপাড়, ৩) দৌলতপুর, ৪) যোগেরখীল, ৫) খামার গ্রাম, ৬) মকলিশপুর, ৭) বেনীখোলা, ৮) বিষ্ণপুর।
সূত্র : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)

৭। বাঙ্গরা পশ্চিম ইউনিয়নের গ্রামসমূহ হচ্ছে: ১) কুড়াখাল, ২) কাগাতুয়া, ৩) পাজিরপার, ৪) গাজিপুর, ৫) মির্জাপুর, ৬) কোদালকাটা, ৭) কালিপুরা, ৮) নোয়াগাঁও, ৯) কুরুন্ডী, ১০) ধনপতিখোলা, ১১) দিঘীরপাড়।
সূত্র : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)

৮। চাপিতলা ইউনিয়নের গ্রামসমূহ হচ্ছে: ১) শ্রীরামপুর, ২) পুষ্করিনীরপাড়, ৩) খাপুড়া, ৪) চাপিতলা, ৫) উলুমুড়িয়া।
সূত্র : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)

৯। কামাল্লা ইউনিয়নের গ্রামসমূহ হচ্ছে: ১) কামাল্লা, ২) নোয়াগাঁও, ৩) নেয়ামতপুর, ৪) রাজনগর, ৫) আলগী, ৬) আছানপুর, ৭) কামারচর।
সূত্র : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)

১০। যাত্রাপুর ইউনিয়নের গ্রামসমূহ হচ্ছে: ১) সিংহারিয়া, ২) যাত্রাপুর, ৩) কাশিপুর, ৪) দড়িপাড়া, ৫) মোচাগড়া, ৬) ভবানীপুর, ৭) শোলাপুকুরিয়া, ৮) ছিলমপুর, ৯) ছিলমপুরকান্দা, ১০) রঘুরামপুর।
সূত্র : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)

১১। রামচন্দ্রপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের গ্রামসমূহ হচ্ছে: ১) কাচারীকান্দি, ২) হারপাকনা, ৩) দিঘলদী, ৪) মির্জাপুর, ৫) কৈজুরী, ৬) কদমতলী, ৭) মোস্তফাপুর, ৮) দরিকান্দি, ৯) উত্তরকান্দি, ১০) দনেরকান্দি, ১১) কামালকান্দি, ১২) পাথালিয়াকান্দি, ১৩) জয়নগর, ১৪) কুড়েরপাড়, ১৫) বাহেরচর, ১৬) জসমন্তপুর, ১৭) বাহাদুরপুর, ১৮) টেগুরিয়াপাড়া।
সূত্র : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)

১২। রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউনিয়নের গ্রামসমূহ হচ্ছে: ১) সরেরপাড়, ২) আমিননগর, ৩) বাখরাবাদ, ৪) বি. চাপিতলা, ৫) সাহেবনগর, ৬) মাহুতিকান্দা, ৭) তেমুরিয়া, ৮) সোনাকান্দা, ৯) খানেপাড়া, ১০) আলালেরকান্দি, ১১) কাঁঠালিয়াকান্দা, ১২) রামচন্দ্রপুর বাজার, ১৩) রামচন্দ্রপুর।
সূত্র : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)

১৩। মুরাদনগর সদর ইউনিয়নের গ্রামসমূহ হচ্ছে: ১) মুরাদনগর সদর, ২) তেতুইতলা, ৩) হিরারকান্দা, ৪) দিলালপুর, ৫) মধ্যনগর, ৬) করিমপুর, ৭) ইউসুফনগর, ৮) রামপুর, ৯) মটকিরচর, ১০) পূর্ব সোনাউল্লা, ১১) পশ্চিম সোনাউল্লা, ১২) ঘোড়াশাল, ১৩) করকটিয়া, ১৪) ধনীরামপুর, ১৫) রমজানেরকান্দা, ১৬) ক্ষুদ্র ঘোড়াশাল, ১৭) ডুমুরিয়া, ১৮) মানিককান্দি, ১৯) সুরেশ্বরদ্দি, ২০) নাগেরকান্দি, ২১) সোনাপুর, ২২) ইমামদিরকান্দি, ২৩) আলীরচর।
সূত্র : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)

১৪। নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের গ্রামসমূহ হচ্ছে: ১) গুঞ্জর, ২) নগরপাড়, ৩) বাখরনগর, ৪) গকুলনগর।
সূত্র : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)

১৫। নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের গ্রামসমূহ হচ্ছে: ১) কালিয়াকান্দি, ২) চৌধুরীকান্দি, ৩) নোয়াকান্দি, ৪) দড়িকান্দি রহিমপুর, ৫) কিছমত রহিমপুর, ৬) রামধনিমুড়া, ৭) রহিমপুর, ৮) নবীপুর, ৯) নবীপুরকান্দা, ১০) বাহরামেরকান্দা, ১১) শিবানীপুর, ১২) হোসেনতলা, ১৩) উত্তর ত্রিশ, ১৪) কোম্পানীগঞ্জ, ১৫) মালিশাইর, ১৬) পৈয়াপাথর, ১৭) দক্ষিণ ত্রিশ, ১৮) কুলুবাড়ী, ১৯) পদুয়া।
সূত্র : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)

১৬। ধামঘর ইউনিয়নের গ্রামসমূহ হচ্ছে: ১) ভুবনঘর, ২) রায়তলা, ৩) ভাগলপুর, ৪) নহল, ৫) রামনগর, ৬) ধামঘর, ৭) আড়ালিয়া, ৮) গাইটুলি, ৯) মুগসাইর, ১০) লক্ষীপুর, ১১) পরমতলা, ১২) বৃন্দারামপুর, ১৩) সিদ্ধেশ্বরী, ১৪) নোয়াখলা, ১৫) খুরুইল, ১৬) কৃষ্ণপুর, ১৭) নলদারোরা।
সূত্র : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)

১৭। জাহাপুর ইউনিয়নের গ্রামসমূহ হচ্ছে: ১) জাহাপুর, ২) পুনিয়াটন, ৩) দড়িকান্দি, ৪) বড়িয়াকুড়ি, ৫) কাচারিকান্দি, ৬) গাংগাটিয়া, ৭) ছয়ফোল্লাকান্দি, ৮) সাতমোড়া, ৯) বল্লভদী, ১০) রানিমুহুরী, ১১) কেয়টগ্রাম, ১২) শুশুন্ডা, ১৩) নয়াকান্দি, ১৪) দুলারামপুর, ১৫) দক্ষিণ দিলালপুর, ১৬) পায়ব।
সূত্র : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)

১৮। ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের গ্রামসমূহ হচ্ছে: ১) বোড়ারচর, ২) সুবিলারচর, ৩) আমপাল, ৪) নেয়ামতকান্দি, ৫) ছালিয়াকান্দি।
সূত্র : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)

১৯। দারোরা ইউনিয়নের গ্রামসমূহ হচ্ছে: ১) দারোরা, ২) উত্তর পদুয়া, ৩) দিঘিরপাড়, ৪) কেমতলি, ৫) দক্ষিণ পুস্কুনিরপাড়, ৬) পালাসুতা, ৭) নোয়াকান্দি, ৮) হাটেরপাড়, ৯) কাজিয়াতল উত্তর, ১০) পুকুরপাড়, ১১) রতননগর, ১২) কাজিয়াতল দক্ষিণ, ১৩) শব্দলকান্দা।
সূত্র : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)

২০। পাহাড়পুর ইউনিয়নের গ্রামসমূহ হচ্ছে: ১) মাধবপুর, ২) লক্ষীপুর, ৩) ফকিরপাড়া, ৪) জালপাড়া, ৫) মাঝাপাড়া, ৬) বালুয়াচনা, ৭) কালামুরিয়া, ৮) কোরারপাড়, ৯) উড়িশ্চর, ১০) ডেকরিরপাড়, ১১) উৎরাইন, ১২) পাঁচপুকুরিয়া, ১৩) ভিটি পাঁচপুকুরিয়া, ১৪) চৌহদী, ১৫) পাহাড়পুর, ১৬) বাশকাইট, ১৭) সুরমাকান্দা, ১৮) সুরানন্দি।
সূত্র : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)

২১। বাবুটিপাড়া ইউনিয়নের গ্রামসমূহ হচ্ছে: ১) পান্তি, ২) গান্দ্রা, ৩) দৈয়ারা, ৪) নতুন বাবুটিপাড়া, ৫) তেলুয়া মাইনকা, ৬) নরসিংহপুর, ৭) বাবুটিপাড়া, ৮) নোয়াপুস্করিনী, ৯) দড়ানীপাড়া, ১০) কালাডুমুর, ১১) রামপুর, ১২) আসাদনগর, ১৩) লাজৈর।
সূত্র : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)

২২। টনকী ইউনিয়নের গ্রামসমূহ হচ্ছে: ১) চৈনপুর, ২) সোনারামপুর, ৩) কমলপুর, ৪) টনকী, ৫) বৈলাবাড়ী, ৬) মাজুর, ৭) বড়পুকুরিয়া, ৮) আলিনগর, ৯) বাইড়া, ১০) লালপুর, ১১) দুইরা, ১২) পূর্বঘোড়াশাল, ১৩) জামালপুর, ১৪) অনন্তপুর।
সূত্র : বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)