অতীত স্মৃতঃিদেবিদ্বারের সাংবাদিকদের নিযাতন মুক্তির প্রত্যাশা

অতীত স্মৃতঃিদেবিদ্বারের সাংবাদিকদের নিযাতন মুক্তির প্রত্যাশা

ফরাসী দার্শনিক জ্যাঁ  জ্যাক রুশো বলেছেন মানুষ স্বাধীননভাবে জন্ম গহ্রন করে  কিন্তু সর্বদা সে শৃঙ্খলিত। দেবিদ্বারের সাংবাদিকদের জন্য এ কথাটি পুরোপুরি সত্য। ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত দেবিদ্বাওে শুধু স্থানীয় সাংবাদিকগণই নির্যাতিত হননি। নির্যাতিত হয়েছেন জেলা পর্যায়ের বহু সাংবাদিক অপমানিত হয়েছেন জাতীয় পর্যায়ের কয়েকজন সাংবাদিক নেতা। দেবিদ্বারের সাংবাদিকতার সাথে যুক্ত  থাকতে পারবে এটাই প্রেস ফ্রিডম ডে ০৯ এর প্রত্যাশা। সাংসদ মুন্সী সাংবাদিকদেও শুয়োরের বাচ্চা- কুত্তার বাচ্চা বলে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে। এলাকায় এসকল সাংবাদিককের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয় এবং সাংবাদিক দেখা মাত্র হাত পায়ের রগ কেটে দেয়ার হুমকী দেয়া হয়। তবে সাংবাদিকগণ এতে ভীত না হয়ে নিজ নিজ পত্রিকায় মঞ্জুর অপকর্ম প্রকাশ করতে থাকে।

দেবিদ্বারের সাংবাদিক নির্যাতন সংক্রান্ত সবচেয়ে অপমানজনক ঘটনা ঘঁটে ১৩ এপ্রিল ২০০৬। ওই দিন দেবিদ্বার উপজেলা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে এবং বিসিডিজেসির সহযোগিতায় দেবিদ্বার প্রেস ক্লাব চত্বরে আয়োজিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাংবাদিক নির্যাতন বিরোধী সেনিমানার পন্ড করে দিয়েছেল সাবেক সাংসদ ইঞ্জিনিরুল আহসান মুন্সীর নির্দেশ্যে তারই সমস্ত্রাসী ক্যাডার বাহিনী ও দুজন চিহ্নিত সংবাদকর্মী। 
সেমিদন অপমানিত ও লাঞ্ছিত হয়ে ছিলেন বাসসের প্রধান  প্রধান সম্পাদক গাজিউল হাসান খান, দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকার সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান, বিডি নিউজ ও সাপ্তাহিক ৭১ এর সম্পাদক রাশেদ চৌধুরীসহ ও সম্পাদক, বাংলাদেশ ফেডারেলে সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সৈয়দ আখতারু ইউসুফ ও ঢাকার বিভিন্ন দেনিকের শীর্ষ স্থানীয়য় সাংবাদিক জাকারিয়া কাজল মোহাম্মদ একরামূল্লা হিল কাফি ও সাইফুল ইসলাম তালুকতারসহ আরো অনেকে। 
নির্দিষ্ট কোন ঘটনা নয় সাবাদিকগণ সমসময়ই সাবেক সাংসদমঞ্জু মুন্সীর চক্ষুশৃল ছিলেন। সায়ংবাদ ছানানোকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি ক্ষোভ ছিল দেবিদ্বার উপজেলা প্রেস ্লাবের সভাপতি এবিএম আতিকুর রহমান রাশারের প্রতি ২০০০১ সালের রমজান শেষে ঈদের পূর্বে জাফরগঞ্জ মীর আবদুল গফুর কলেজের এবং মোহাম্মদপুর সেরাজুল হক কলেজের ৪৮ শিক্ষক কর্মচারীর বেতন জভাতাদির বিলে মুন্সী স্বাক্ষর না করায় তারা ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত  হয়। এ সংবাদ প্রকাশে ক্ষুদ্ধ হয়ে ৩০ /৩৫ জন ক্যাডার সাংবাদিকদের উপর চাড়াও হয়। এসময় বাশারকে মাইক্রোযোগে তুলে ঢাকায় মুঞ্ঝু মুন্সীর নিকট দিয়ে যাওয়ার চেষ্ঠা করা হয়।  ২০০১ সালের ৩১ ডিসেম্বর ক্লিন হার্ট অপারেশন চলাকালীন সমযৈ সীমাহীন সন্ত্রাস চাঁদাবাজী জবর দখলের অভিযোগে সাংসদ মাঞ্জু মুন্সীর তাই আক্তাররুজ্জামান বাবুকে ক্রেফতারের পর ছবি তোলার অভিযোগে বাহারকে জীবননাশের হুমকী দিয়েছিল মুন্সী ও তার সশন্ত্র ক্যডাররা। ২০০৪ সালের ১৭ সেম্পেম্বর দেবিদ্বারে বন্যাবদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করতে আসা আ’লীগ তা নতা রৌশন আলী মাষ্টারের উপর হকিষ্টিক দিয়ে বর্বোরোচিত হামলা ও ত্রাণ লুটের দৃশ্য ক্যামেরাবন্দী  করার সময় বাশারও অন্যান্য সাংবাদিদের উপরর হামলা করা হয়। 
২০০৬ সালের ১৮ জানুয়ারি প্রথম আলো পত্রিকায় দেবিদ্বারে ঐতহ্যিবাহী পোনরা পৌষ সংক্রান্ত মেলায় দলীয় তহবিলসহ বিভিন্ন খাতে চাঁদদাবাজ, মাস্তান বখাটেদের দৌরাত্ম এবং অতরিক্ত টোল আদায়ে মেলাটি ধ্বংসের পথে শীর্ষক পিরোর্ট করায় ইজারাদার ইউনুসকে ধানায় আটকে রেখে বাশারের বিরুদ্ধে জোর পূর্বক চাঁদাবাজির মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। ২৯ জানুয়ারি হাইকোর্ড বাশারকে জামিন দেয়। সাংবাদিক বাশরের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা বাতিলের দাবীতে সিপিবির উদ্যোগে দিবেদ্ধিারে প্রতিবাদ সমাবেশ করলে মুন্সী বাহিনীর সন্ত্রাসী হামলায় সিপিবির সাবেক কেন্দ্রীয় সংগঠক পরেশকরসহ ১০ সাংবাদিক বাশারসহ সকল সাংবাদিকগণই ছিল তার শত্র“ ২০০৫ সালের জুলাই মাসে উপজেলার হিন্দু অধ্যুষিত রসুলপুর গ্রামে অব্যাহত চুরি ডাকাতি নারী নির্যাতন  সক্রান্ত রিপোর্ট প্রকাশ করায় এবং ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপি নেতা বাবসীর  ধরা পড়ায় সাংসদ স্থানীয় সাংসাবিদকদের উপর ক্ষুদ্ধ হন। ওই গ্রামে পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন 
উপলক্ষে অয়োজিত সভায় সাংসদ মুন্সী সাংবাদিকদের গুয়োরের বাচ্চা কুত্তার বাচ্চা বলে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে এলাকায় সক সাংবাদিকের প্রবেশ সিনিষিদ্ধ করা হয় এবং সাংবাদিক দেয়া মাত্র হাত  পায় রগ কেটে দেয়ার হুমকী দেয়া হয়। তবে সাংবাদিকগণ এতে ভীত হনা হয়ে নিজ নিজ পত্রিকায় মঞ্জুর অপকর্ম প্রকাশ করতে থাকেন। ৪ সেপ্টেম্বর ২০০৬ বেদ্বিারের ভয়াবহ বিদ্যুতের লোডশেডিং এর প্রতিবাদে বিদ্যুতের ন্যায্য দাবী বাস্তবায়ন পরিষদের উদ্যোগে ৫ শতাধিক গ্রাহক মুন্সীর বাড়িতে গিয়ে স্মারক লিপি প্রদান করে। এসময় আমার দেশ পত্রিকার প্রতিনিধি সংবাদ সংগ্রহে মুন্সীর বাড়িতে গেলে মুন্সী নিজেই তাকে যাওয়া করে এবং একটি ঘরে করিদ্বার থায়া সোপর্দ করে বিদ্যুৎ অফিসের কর্মচারী মনসুরকে দিয়ে তার বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ অফিস ভাংচুরের মামলা দায়ের করিয়ে  কোর্ট হাজতে চালান করে দেয়
১৪ সেপ্টেম্বর (২০০৬) স্থানীয় বিএনপি দুগ্রুপের সংঘর্ষ চলা কালে সংবাদ সংগ্রহ আসা জনকন্ঠ জেলা প্রতিনিধি আবুল কাসেম হৃদয় ওস্থানীয় জনকন্ঠ প্রতিনিধি একএম ফজলুল আমিন খান রাসেলকে পিটিয়ে মরাত্মক আহত করে বিএনপি মঞ্জু সমর্থিত ক্যাডারগণ। 
২৩ জুন ২০০৬ সাবেক মন্ত্রী এ এফ এম ফখরুল ইসলাম মুন্সী একটি শোকভায় যোগদানের উদ্দেশ্যে ঢাকা থেকে আসার সময় বারেরা স্টেশনে মুন্সীপূত্র ব্যরিষ্টার রিজবিউল আহসান মুন্সীর নেতৃত্বের বাধা প্রদান ও ৪ ঘন্টা সড়ক অবরোধ করা হয়। এসময় ক্যাডাররা ফখরুল মুন্নসীকে হকি ষ্টিক দিয়ে আঘাত করার ছবি ক্যামেরাবন্দী করার সময় দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি আবদুল্লাহ আল  মামুনের হাত কামড়ে আহত করে ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। এছাড়া বিভিন্ন সময় হুমকী ও লাঞ্চিত হন আমোদ প্রতিনিধি মমিনুল ইসলামা মোল্লা, আমাদের সময় প্রতিনিধি সৈয়দ খলিলুর রহান মানবজমিন প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম খবর প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম রাজু সমকাল প্রতিনিনিধ এনামুল হক ও খবর পত্র প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম সাগর।
লখিার তারখিঃ ৩১/০৮/২০১৭


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.