জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান দেবিদ্বারের এ কে এম সফিকুল আলম কামাল

জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান
দেবিদ্বারের এ কে এম সফিকুল আলম কামাল

মমিনুল ইসলাম মোল্লা
বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের অবদান অপরিসীম। এ লক্ষে সারা দেশে যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন তাদের মধ্যে দেবিদ্ধার উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান একেএম সফিকুল আলম কামাল অন্যতম।
জনাব কামালের কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ ”জাতীয় সমন্বিত উন্নয়ন ফাউন্ডেশন” এর পক্ষ থেকে শ্রেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে সম্মাননা দেয়া হয়।৪ ডিসেম্বও ঢাকার  জাতীয় জাদুঘর প্রধান মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাকে ক্রেস্ট ,মেডেল,ও র্সার্টিফিকেট এবং বই দেয়া হয়।
উপজেলার জনসাধারণের কল্যাণে তিনি ২০০৯ সালের জানুয়ারী মাসে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।২০১০ সালের মার্চ মাসে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানদের কিছু দায়িত্ব দেয়া হয়।এগুলোর মধ্যে রয়েছে   উপজেলা পরিষদের একাধিক স্থায়ী কমিটির সভাপতি হওয়া,মাধ্যমিক,মাদ্রাসা,শিক্ষা উন্নয়নে জনগণকে উদ্ভুদ্ধ করা,আন্ত:ইউনিয়ন সংযোগকারী রাস্তা নির্মাণ, মেরামতও রক্ষণাবেক্ষণ,পরিবেশ উন্নয়নে বনায়ন,সন্ত্রাস,জঙ্গিবাদ,চুরি-ডাকাতি,চোরাচালান,মাদকদ্রব্য ব্যবহার ইত্যাদি অপরাধের বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টিসহ প্রতিরোধমূলক ব্যাবস্থা নেওয়া।
জনাব কামাল অফিসিয়াল দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেবিদ্বারের প্রতিটি গ্রামের আনাচে কানাচে ঘুরে বেড়ান।যেখানেই কোন সমস্যার কথা শোনেন  সেখানেই ছুটে যান কামাল।তিনি সালিশের মাধ্যমে বহূ জটিল সমস্যার সমাধান করেছেন।ফলে দেবিদ্ধারের দুই শতাধিক গ্রামের লোকজন তার কাছে ছুটে আসেন।
একে এম সফিকুল আলম কামাল ১৫ এপ্রিল ১৯৬৫ ইং দেবিদ্বারের বানিয়াপাড়ায় জন্ম গ্রহন করেন।তার পিতার নাম মরহুম জালাল উদ্দীন আহমেদ।তিনি একজন মহান শিক্ষক ছিলেন।তার মাতার নাম মরহুম জমিলা বেগম।তারা দুজনই কামালের লেখাপড়া এবং রাজনৈতিক কর্মকান্ডে অনুপ্রেরণা যোগাতেন।
জনাব জালাল উদ্দীনের ৯ ছেলে ও ২ মেয়ে।ছেলেদের মধ্যে ৩জন মাস্টার ডিগ্রি পাশ্এবং বাকীরা গ্র্রজুয়েট।ছেলে মেয়েরা সবাই স্বস্ব কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।সফিকুল আলম কামাল ভাই-বোনদের মধ্যে ছিলেন একটু ব্যাতিক্রম।তিনি ছোটবেলা থেকেই গরীব-দঃখী মানুষৈর পাশে াকতে ভালভাসতেন।তাই ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতির সাথেজড়িত হন।
১৯৮৬ সালে তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মহান আদর্শে উজ্জ্বীবিত হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে রাজনৈতিক আঙ্গিনায় পদচারণা শুরু করেন।১৯৮৮ সালে স্বীয় যোগ্যতা বলে তিনি দেবিদ্ধার থানা ছাত্র লীগের সভাপতি হন।তিনি একজন সফল ছাত্র নেতা।১৯৯১-৯২শিক্ষাবর্ষে তিনি দেবিদ্ধার সুজাত আলী সরকারী কলেজের ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন।১৯৯৩/৯৪ সালে তিনি কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্র লীগের প্রথম আহবায়ক নির্বাচিত হন।১৯৯৬ সালে তিনি দেবিদ্বার থানা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আসীন হন।এখন পর্যন্ত এ পদে বহাল আছেন।১৯৮৬-৯০সাল পর্যন্ত তিনি স্বৈরাচার পতনের অন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।এছাড়া ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্র“য়ারীর প্রহসনের নির্বাচনের বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টিতে তিনি উল্লেখযোগ্য ভুমিকা পালন করেন। 

১৯৯৬ সালে তিনি মুরাদনগর থানার ধনিরামপুরের মেয়ে তামান্না হাসিন শুকতারার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।শুকতারা তাকে আকাশের শুকতারার মতো রাজনীতির অন্ধকার আকাশে আলো দিয়ে পথ দেখান।তারই অনুপ্রেরণায় এতদুর এগিয়ে আসতে পেরেছেন বলে জনাব কামাল সহাস্যে স্বীকার করেন।কামাল- শুকতারা দম্পতির একমাত্র সন্তান জিএমরায়হান জামিল ইফতি।সে বর্তমানে দেবিদ্বার রেয়াজ উদ্দীন পাইলট হাইস্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র।

তিনি অনিয়ম,অত্যাচার ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার।বিরোধী দলে থাকাকালীন সময়ে দলীয় নেতা কর্মীদের উপর হামলা-মামলা ও নির্যাতন তাকে পীড়া দেয়। সততার সাথে রাজনীতি করায় তিনি কখনও নির্যাতন ও হয়রানীর শিকার হননি। তিনি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করেননা।তিনি মনে করেন-এদেশ ও জাতিকে আলোকিত করতে হলে এদেশের মানুষকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। 
সারা দেশের মধ্যে শ্রেষ্ঠ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হওয়ায় আপনার প্রতিক্রিয়া কি?জানতে চাইলে তিনি বলেন-আমার সাফল্য ও কৃতিত্বের দাবিদার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কণ্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।ওনার দিক নির্দেশনায় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে এদেশের গরীব -দুঃখী মেহনতি মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে চাই।


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.