নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১

 ডেসটিনি

শুক্রবার ২৫ চৈত্র ১৪১৭, ৮ এপ্রিল ২০১১


৮ মার্চ আন্তজাতিক নারী দিবসে জাতীয় ও প্রশাসনিক কর্মকান্ডে নারীর ক্ষমতা ও অধিকার নিশ্চিত করে নারী উন্নয়ন নীতিমালা মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক এ নীতিমালার অনুমোদন দেয়া হয়। ৪৯টি ধারায় নারীদের আর্থ-সামাজিক, প্রশাসনিক অধিকার ও মর্যাদার কথা বলা হয়েছে। এ নীতিমালার প্রথম ভাগে ১৫ ধারা স্থান পেয়েছে। ্এগুলোর মধ্যে নারীদের উন্নয়ন পরিকল্পনা, বৈষম্য, পারিবারিক সহিংসতা, দারিদ্র ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধের কথা বলা হয়েছে।

দ্বিতীয় ভাগে রয়েছে- মানবাধিকার, কন্যা, শিশুর উন্নয়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণ, খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, প্রতিবন্ধিত্ব, গণমাধ্যম। এছাড়া তৃতীয় ভাগে বলা হয়েছে- নারী উন্নয়নে এনজিও ও সামাজিক সংগঠন, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, আর্থিক ব্যবস্থা, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগীতা ও নারীর ক্ষমতায়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগীতার কথা।

নারী নীতির ৪৯টি ধারার মধ্যে মাত্র দুটি ধারা মৌলবাদী গোষ্ঠীর আতঙ্কের করণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই আতঙ্ক অহেতুক। এ দুটি ধারা হলো ২৩/৫ এবং ২৫/২। প্রথমটিতে বলা হয়েছে- সম্পদ, কর্মসংস্থান, বাজার ও ব্যবসায় নারীকে সমাজ সুযোগ ও অংশীদারিত্ব দেয়া। দ্বিতীয়টিতে বলা হয়েছে- উপার্জন, উত্তরাধিকার, ঋন, ভূমি এবং বাজার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের ক্ষেত্রে নারীর পূর্ন নিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রধান করা।

বাংলাদেশের কয়েকটি ইসলামিক দল সবসময় নারীনীতির বিরোধিতা করে আসছে। প্রথমে তারা পৃথক পৃথকভাবে বিবৃতি দিলেও  পরে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করছে। এসব দলের মধ্যে রয়েছে- কওমি মাদ্রাসা বেফাকুল মাদ্রাসিল আরাবিয়া, ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটি, ওলামা মাশায়েখ পরিষদ, খেলাফত মজলিশ ও ইসলামী শাসনতান্ত্রিক আন্দোলন। (মমিনুল ইসলাম মোল্লা)



শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.