ভ্রমণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ভ্রমণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
হাসন রাজার দেশ  ঃ সুনামগঞ্জ

হাসন রাজার দেশ ঃ সুনামগঞ্জ

 

রোববার ঃ ২ মার্চ ২০০৮, ১৯ ফাল্গুন ১৪১৪ মমিনুল ইসলাম মোল্লা। দৈনিক রূপসী বাংলা-৩।

গারো আর খাসিয় পাহাড়ের পদদেশে পুরাতন সুরমা, কুশিয়ারা, বলাই, জালালপুর, সোমেশ^রী নদী বিধৌত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর জেলা সুনামগঞ্জ। হাসন রাজার স্মৃতিধন্য সৃনামগঞ্জ। শুধু হাসন রাজার জন্য নয়, এখানকার অনেক স্থান রয়েছে যা পর্যটকদের জন্য হয়ে উঠতে পারে একটি চমৎকার পর্যটন কেন্দ্র। পর্যটন শিল্পের জন্যে সরকারের এ বিষয়ে মনোযোগ দেয়া অতান্ত জরুরী।

     দর্শনীয় স্থানসমূহ ঃ ১) হাওর (টাঙ্গুয়ার হাওর) ঃ দেশের সবচেয়ে সুন্দর ও সমৃদ্ধ হাওরের নাম টাঙ্গুয়ার হাওর। এ হাওরটি বর্তমানে বিশ^ ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। এ হাওরের আয়তন ২৪ হাজার একর। গাছ গাছালির ছায়ায় ঘেরা, পাখ পাখালির কুজনে মুখর  এ হাওরটি ঘরে ফিরে বেড়ানোর জন্যে অপূর্ব জায়গা।

২) পাখি অভয়ারণ্য (বিরাম পুর) ঃ সুনামগঞ্জ জেলা শহর থেকে ৬ কি. মি. পূর্বে বিরামপুরে শীতকালে গেলে দেখবেন অসংখ্য বিদেশী ও অতিথি চেনা-অচেনা পাখী। বিশেষ করে আবদুস্ শহীদের বাড়িটিকে বলা হয় পাখিবাড়ি। সারাদিন চরে বেড়া-নোর পর আকাশ ঢেকে ঘরে ফেরে ঝাঁকে ঝাঁকে সাদা বক। মাগরিবের আজানের সময় তারা চারপাশে গাছগুলো ছেয়ে ফেলে। তখন গাছের পাতার পরির্বতে পাখির পাখা ঝাপটানো দেখা যায়। গ্রামে ঘুরতে ঘুরতে ইচ্ছেমতো ছবি ওঠানো যায়। তবে কোনো পাখির ক্ষতি করার চেষ্টা করলে ১ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। কয়েক বছর পূর্বে এলাকাবাসী  এ নিয়ম করেছেন। 

৩) মনীষীর (হাসন রাজা) বাড়ি ঃ সুনামগঞ্জের অন্যতম আকষর্ণ হাসন রাজার বাড়ী। তবে বাড়িটির বাহ্যিক দিক আকর্ষণীয় নয়। বিশিষ্ট জমিদার ও গীতিকবি হাসন রাজা বিলাসিতা পছন্দ করতেন না। ৩ লক্ষ বিঘার জমিদারী থাকলেও তিনি থাকতেন কুঁড়েঘরে। কুঁড়েঘরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় জনসাধারণ বলাবলী করত রাজার ঘরবাড়ি ভালো লগে না। একথা শুনে হাসন রাজা লিখলেন "লোকে বলে বলেরে ঘরবাড়ি ভালো না আমার/ কি ঘর বানাইব আমি শূন্যর মাঝার”। সেখানকার শিল্পীদের মুখে গানটি শুনে তৃপ্ত হবেন। "হাসন উদাস”  ও সৌখিন বাহার” নামে হাসন রাজার দুটি বই ছাপা হয়েছিল, এগুলো সেখানে খোঁজ করলে পেতে পারেন। হাসন রাজার বংশধরগণ তাঁর স্মৃতি রক্ষার্থে একটি তিন তলা বাড়ী নির্মাণ করে রেখেছেন। হাসন রাজার বসত ভিটা দেখার পর তার ব্যবহৃত, পোষাক, ছবি, তলোয়ার, প্লেট, খাতা, রূপার পানদানী, কলম ইত্যাদি দেখুন।

৪) জমিদার বাড়ি (সুখাইর) ঃ প্রায় ৩শ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি। ১৯৬৫ সালে ২৫ একর জমি কিনে মোহনলাল এ বাড়িটি নির্মাণ করেন। এ জমিদারী বিস্তৃত ছিল পূর্বের জামালগঞ্জ, পশ্চিমে ধরম পাশা, উত্তরে বংশকুঞ্জ ও দক্ষিনে ঘাগলাজুরা নদী। সেখানে গিয়ে শুনবেন একবার ইংরেজ প্রশাসক বেলেন্টিয়ার বাঘ শিকারে টাঙ্গুয়ার হাওরে গেলে, বাঘ তাকে জিম্মি করে। জমিদার সুযুখ চৌধুরী আইন লঙ্ঘন করে ৩টি বাঘ মেরে তাকে উদ্ধার করলে, ইংরেজ সাহেব তাকে একটি বন্দুক উপহার দেন।

৫) মনোহরী স্থান (ছাতক) ঃ পাথর, সিমেন্ট, চুনাপাথর, তেজ পাতা, কমলালেবু ও বালুর দেশ ছাতক। চুনাপাথর দেখে মুগ্ধ হবেন। চুনাপাথর বহনকারী যন্ত্রটি দেখে অভিভুত হবেন। চুনাপাথর কিভাবে পোড়াতে হয় তাও দেখতে পাবেন।

৬) মসজিদ (পাগলা বাজার) ঃ সুনামগঞ্জ সিলেট সড়কে পাগলা বাজারের পাশে রায়পুর গ্রামে এই মসজিদটি অবস্থিত। ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট দর্শীয় এই মসজিদটি ইট ও সুড়কির তৈরি। মসজিদটি সাড়ে ৩৩ গজ দীর্ঘ ও ২২ গজ প্রস্থ। ঃ ৩য় পাতায় দেখুন ঃ।

ঘাসন রাজার দেশ

৭) বালি (নারায়ণতলা) ঃ বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য স্থান নারায়ণতলা। পাহাড়, নদী আর মরুভূমির সংমিশ্রণে আকর্ষণীয় স্থান এই নারায়ণতলা সুনামগঞ্জ জেলার উত্তরে দেশের শেষ প্রান্তে এর অবস্থান। দেশে থেকে যদি আপনি মরুভূমির পরিচয় পেতে চান, তাহলে এটা হবে উপযুক্ত জায়গা। বালুকাময় এ স্থানটির উত্তরে রয়েছে আসামের পাহাড় সারি।

৮) রিভার ভিউ (যাদুকাটা) ঃ তাহিরপুরে দিয়ে রিভারভিউ দেখতে পাবেন। বারিকের টিলার একেবারে ঘা ঘেঁষে পূর্ব দিকে বয়ে চলেছে পাহাড়ী নদী যাদুকাটা। সীমান্তের ওপার থেকে নেমে আসা এই পাহাড়ী নদীর স্বচ্ছ টলটলে পনির নিচে শুধু বালি আর স্তরে স্তরে মজুদ পাথর দেখা যায়।

মমিনুল ইসলাম মোল্লা।

সাংবাদিক, কুমিল্লা

একটি প্রশিক্ষা ফিচার 

ই-মেইল : ঢ়পঢ়ফ@ঢ়ৎড়ংযরশধ.নফড়হষরহব.পড়স

ঃ ৩য় পাতায় দেখুন ঃ

পাহাড়, অরণ্য ও জলপ্রপাতের মিলনস্থল-মাধবকুন্ড

প্রভাষক মমিনুল ইসলাম মোল্লা

সোমবার ঃ ৩ ফেব্রæয়ারী ২০০৩

রূপময় বাংলাদেশ। এদেশের আনাচে-কানাচে, শহরের অলি-গলিতে মুক্তাকনার মতো রুপময় ও আকর্র্ষনীয় স্থানগুলো ছড়িয়ে আছে কিছু কিছু স্পস্ট এথনও আবিস্কারের বাকী, যেগুলো আবিস্কৃত হয়েছে সেগুলোর প্রয়োজনীয় যতেœর অভাবে নষ্ট হচ্ছে। হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যময় নিদর্শনগুলো। তাই কেউ কেউ বলেন এদেশের পর্যটন নিয়ে লেখার কি আছে? অন্য দেশের কথা ভাবুন। আসলেই কি তাই! দেশে ও বিদেশের পর্যটকদের আকৃষ্ট করার মত কি কিছুই নেই? না। আমরা বলব, এ ধারনার কোনো যুক্তি নেই। আমাদের দেশে এমন কিছু কিছু দৃশ্য আছে যা অন্য আট/দশটি দেশে পাওয়া যাবেনা। ্এগুলো নিয়ে ছোট খাট নয় বড় করেই লিখা যায়। এমনই একটি স্থান হচ্ছে বড়লেখার মাধবকুন্ড জলপ্রপাত। এটি বাংলাদেশের নায়াগ্রা নামে পরিচিত।

যেভাবে যাবেন ঃ আপনার বাসা থেকে কমলাপুর রেলওয়ে ষ্টেশনে যাবেন। এখান থেকে সিলেটগামী আন্তঃনগর ট্রেনে চড়ে সিলেট যাবেন। এছাড়া বাসে কিংবা প্লেনে চড়েও আপনি সিলেট পৌছতে পারবেন। ঢাকা থেকে রেলপথে দূরত্ব ৩১৯ কিঃ মিঃ এবং সড়ক পথে দূরত্ব ২৭৮ কিঃ মিঃ। সিলেটেই রাতটি কাটিয়ে যান খাকার জন্য। পর্যটন হোটেল অথবা হোটেল অণুরাগ এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। সিলেট রেলওয়ে ষ্টেশন থেকে দুপুর ১১ টায় উঠুন। কুলাউড়া পৌছবেন বিকাল ৪ টায়। কুলাউড়া থেকে বাসে বড়লেখা যাবেন। কাঠালতলা ক্রসিং পয়েন্ট থেকে ১০ কিঃ মিঃ পাকা রাস্তা অতিক্রম করলেই গন্তব্য স্থলে পৌছে যাবেন। গ্রæপ পিকনিকে গেলে ঢাকা থেকে গাড়ী নিয়ে সরাসরি জলপ্রপাত এলাকায় পৌছতে পারবেন।

কি কি সঙ্গে নেবেন ঃ শীতের সময় সিলেট এলাকায় খুব শীত পড়ে। সুতরাং সব কিছুর আগে আপনাকে সুয়েটার, কোট কিংবা জ্যাকেট সঙ্গে নিতে হবে। হঠ্যাৎ করে ঠান্ডা লাগতে পারে। তাই প্রয়োজনিয় ঔষধ নিয়ে যাবেন। এখানকার মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে ঝর্ণা, অরন্য ও পাহাড়ের পাশে ছবি তুলতে ইচ্ছা করবে। তাই একটি ক্যামেরা ও কমপক্ষে দুটি ফিল্ম সঙ্গে নিতে ভুলবেন না।

জলপ্রপাত ঃ এখানে পাহাড়ের বুক চিড়ে অবিরাম পানি ঝড়ছে। প্রায় ২০০ ফুট উচু পাহাড় থেকে পানি উপচে পড়ছে। এ স্বচ্ছ জলধারা গড়িয়ে চলে যাচ্ছে। এই দৃষ্টি নন্দন দৃশ্য নিজের চোখে না দেখলে অনুভব করা যায় না। জলপ্রপাতের পদদেশে সবাইকে উল্লাস করতে দেখবেন। আপনিও প্যাচামুখো না হয়ে সীমাহীন আনন্দে মেতে উঠুন। আপনার কাছে মনে হবে এ যেন সত্যিকারের নায়াগ্রা জলপ্রপাত।

সেখানে গিয়ে জানবেন, মাধবকুন্ডের পুরাতন নাম গঙ্গামায়া। তাই সেখানকার আধিবাসীরা এখনও একে গঙ্গামায়া বলে। আম, কাঠাল, আনারস আর চা বাগান দেখবেন মাধবকুন্ডে। কুন্ডটির পাশে দেখবেন বড় বড় পাথর। পাথর পেরিয়ে ঝর্ণার জল হাতে নিতে পারবেন। এ দুর্লভ মুহুর্ত জীবনে আর কখনো নাও আসতে পারে। তাই স¥ৃতিটিকে ক্যামেরায় বন্দী করে রাখুন। কুন্ডের স্থলে পাহাড়ের পাশেই একটি পাহাড়ের গুহা দেখতে পাবেন। এই গুহাকে গহবর কিংবা কাব বলা হয়ে থাকে।

জলপ্রপাতের নিচে দু একটি নৌকা দেখতে পাবেন। সেই নৌকার মাঝিরা আপনাকে দেখে হাসি মুখে আমন্ত্রন জানাবেন। ভয় না পেয়ে নৌকায় উঠে পড়–ন। সঙ্গে আপনার মনের মানুষ থাকলে ভাল হয়। যেখানে পানি পড়ছে সেখান দিয়ে এক চক্কর ঘুরে আসবেন। আসার পথে মাঝিকে খুশি করে আসবেন। তারপর আপনি অথবা আপনার ছেলে মেয়েকে ঘোড়ায় চড়াতে পারেন। ঘোড়ায় চড়ে চক্কর দিলেই আপনাকে দশ টাকা দিতে হবে।

সীতাকুন্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ের গরম পানির ঝর্ণা দেখতে গিয়ে অনেকেই আঠাশ ধাপ অতিক্রম করে তেম্িন মাধবকুন্ড জলপ্রপাত দেখতে এসে আপনারও মন চইবে একবার উপরে উঠতে পারলে হয়তো আরো মজা হতো। হ্যাঁ আপনি ইচ্ছে করলেই সেখানে উঠতে পারেন। তবে উপরে না ইঠাই ভালো। প্রতি বছরই অতিরিক্ত সাহস দেখাতে গিয়ে দু/চারজন মারা যাচ্ছে। আপনি যদি আকান্তভাবে উঠতেই চান তাহলে সাবধানে উঠবেন। তবে জলের উৎসমুখে না যাওয়াই ভালো।

জলপ্রপাতের কাছেই দেখবেন একজন দোকানদার মাধবকুন্ডের ইতিহার নামে একটি ছোট পুস্তক বিক্রি করছে। ইচ্ছে হলে এক কপি কিনে নিতে পারেন। এক জরিপে দেখা গেছে শীতকালে প্রতিদিন ১ হাজার থেকে ১২শ লোক এখানে আসে। বর্ষাকালে ৩ থেকে ৫শ লোক আসে।

মাধবকুন্ড শুধুমাত্র সৌন্দর্যের লীলাভুমিই নয় এটি হিন্দুদের কাছে পবিত্র স্থান হিসেবেও পরিচিত। এখানে একটি মন্দির চোখে পড়বে। মন্দিরের পাশে দেখবেন বাঘের মূর্তি। প্রত্যক বছর ফাল্গুন মাসে দেশ ও বিদেশের নানা স্থান থেকে হিন্দু পুন্যার্থীরা ঝর্ণায় ¯øান করার জন্যে ছুটে আসেন। এয়োদশী তিথীতেও বারণী ¯œানে এখানে প্রচুর পুন্যার্থীর সমাগম হয়। পাহাড়ের চড়ায় প্রতিষ্ঠিত স্বনার্থী গন ধর্মলম্বী হলে মাধবকুন্ড দেখার পাশাপাশি কিছু পুন্যও লাভ করতে পারেন।

চা বাগান ঃ মৌলভী বাজার জেলায় আরেকটি নয়নাভিরাম স্থান শ্রীমঙ্গল। এখানে পাহাড়ের উচুতে আবার কখনোবা নীচু যায়গায়। শুধু সবুজ আর সবুজ। মহিরা শ্রমিকদের চা পাতা তুলতে দেখবেন। এদের সাথে কথা বলে জেনে নিতে পারেন এদের সুখ-দুঃখের কাহিনী। তবে ভাষা নিয়ে একটু সমস্যা হতে পারে। আপনার কথা এরা বুঝলেও ওদের কথা আপনার বুঝতে কষ্ট হবে।

সেখানে গিয়ে জানবেন, মৌলভীবাজারের মালনীছড়ায় প্রথম চায়ের চাষ শুরু হয়। ১৮৫৩ সালে চায়ের গাছ আবিস্কার করেন মিঃ মোঃ ওয়ারিষ। তিনি ব্রিটিশ সরকার থেকে পুরস্কার ও পান। তারপর থেকেই চা চাষের শুরু। তখন চা বাগানে কাজ করার জন্য ব্রিটিশ সরকার বিহার, মধ্য প্রদেশ ও উড়িষ্য থেকে শ্রমিক আনে। তাই এদের ভাষা আপনি পুরোপুরি বুঝতে পারবেন না। এরা সকালে লবনসহ রুটি খেয়ে বাগানে আসে বিকালে বাসায় ফিরে লবন-চা এবং রাতে ভাত খায়।

কমলা রানীর দীঘি ঃ মৌলভীবাজার থেকে ১৫ কিঃ মিঃ দূরে রাজনগর। এখানে দেখবেন কমলা রানীর দীঘি বা সাগর দীঘি। মধ্যযুগে এখানে সুব্দি নারায়ন নামে এক রাজা ছিলেন। তার স্ত্রী কমলা রানীর নামে।

স্বাস্থ্য বিধি উপেক্ষিত ।। কুমিল্লার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে বাড়ছে দর্শনার্থীদের ভীড়!

স্বাস্থ্য বিধি উপেক্ষিত ।। কুমিল্লার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে বাড়ছে দর্শনার্থীদের ভীড়!


Viral news bd # online verson

গাজী জাহাঙ্গীর আলম জাবির, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি।।

করোনা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘ চার মাস বন্ধ থাকার পর কুমিল্লা জেলার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে উপচে পড়া ভীর । গত ১৯ আগস্ট সরকারি ঘোষণায় পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেয়ার সংবাদে জেলাজুড়ে অসংখ্য বিনোদন ও পর্যটনকেন্দ্রে বাড়ছে দর্শনার্থীর ভীড়।দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থীরা আসতে শুরু করেছে কুমিল্লার বিনোদন স্পটগুলোতে। এর মাঝে স্বস্তি ফিরছে কুমিল্লার পর্যটন শিল্পসহ এ খাতে বিনোয়োগকারীরা। মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে বন্ধ থাকার চার মাস পর নতুনভাবে সেজেছে জেলার বিভিন্ন পর্যটন স্থানগুলো। ঐতিহাসিক কুমিল্লা কোটবাড়ির শালবন বিহার, ময়নামতি জাদুঘর, ১৬৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত শাহ সুজা মসজিদ, রূপবান মুড়া, ওয়ার সিমিট্টি, রূপসাগর, চিড়িয়াখানা-বোটানিক্যাল গার্ডেন, চণ্ডীমুড়া মন্দির, কুমিল্লা বার্ড, নীলাচল, কুমিল্লার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ধর্মসাগর ও নগর উদ্যান, ড. আখতার হামিদ খান প্রতিষ্ঠিত কেটিসিসির দর্শনীয় স্থান, রানীর কুটির, রাজেশপুর ইকোপার্কসহ কোটবাড়ির বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে পর্যটকের উপস্থিতি প্রতিনিয়ত বাড়ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত নানা বয়সী মানুষের পদচারনায় মুখরিত হতে শুরু করেছে বিনোদন কেন্দ্রগুলো।
    এরই মধ্যে পর্যটন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে দেখা দিয়েছে কর্মচাঞ্চল্য। কোথায়ও কোথায়ও ধোয়ামোছার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন সংশ্লিষ্টরা । শালবন বিহারে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসেন জহির সরকার নামে এক ব্যক্তি। ফেনী থেকে এসেছেন তিনি। তিনি জানান, কোটবাড়ি আমাদের প্রিয় স্থান। এখানে অনেকগুলো স্পট রয়েছে। গত চারমাস পরিবার নিয়ে এক প্রকার বন্দী ছিলাম।
    সরকারী ঘোষণার পর পরিবার নিয়ে তাই ঘুরতে এসেছি। বুড়িচং থেকে ঘুরতে আসেন ছেলেকে নিয়ে মা সেলিনা আক্তার, তিনি বলেন,কুমিল্লা ধর্ম সাগর,নগর উদ্যান ভারি চমৎকার। অনেক দিন পর একটু ঘুরতে আসা।স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, বিনোদন-পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে। কোথাও ভীড় করা যাবে না। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে অবহেলা করা হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানতে গণসচেতনতা সৃষ্টি করতে কর্তৃপক্ষের নিদের্শনা রয়েছে।
দেবিদ্বারের এলাহাবাদ উটখাড়া মাজার

দেবিদ্বারের এলাহাবাদ উটখাড়া মাজার


দেবিদ্বারের এলাহাবাদ উটখাড়া মাজার 

কিভাবে যাওয়া যায়: 
দেবিদ্বার শহর হতে প্রায় ৭ কিলোমিটার। দেবিদ্বার শহর হতে রিকসা অথবা সিএনজি যোগে যাওয়া যায়।
ফকির- দরবেশ- আউলিয়ার দেশ বাংলাদেশ। বার আউলিয়া চট্রগ্রামে, তিনশত ষাট আউলিয়া সিলেটে আর তিনশত আউলিয়ার বিচরণ ভূমি  কুমিল্লা। এসম্পর্কে বিশিষ্ট লেখক মোঃ আব্দুল কুদ্দুস লিখেছেন-
"লাকসামেতে শাহ শরীফ
 কুমিল্লায় আব্দুল্লহ
ঘুমিয়ে আছে জেলার মাঝে তিনশ' আউলিয়া।"
ইসলামী গবেষক ও চিন্তাবিদদের মতে  কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার ইসলাম ধর্ম প্রচারে হজরত শাহ কামাল (রঃ) ও হজরত শাহ জামাল (রঃ)'র অবদান স্মরণীয়। তবে এক্ষেত্রে দেবিদ্বার ইসলাম ধর্ম প্রচারে কে সর্বপ্রথম এসেছিলেন তার কোন সঠিক দিক নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। তবে কেউ কেউ মনে করেন ৬৭০হিজরি ও ১২৭১ খ্রীস্টাব্দে ইয়েমেনে জন্ম গ্রহণকারী কোরেশ বংশোদ্ভুত বিশিষ্ট অলী শায়খ মাহামুদ (রঃ)'র পুত্র হজরত শাহজালাল (রঃ) ইসলাম ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে ইয়েমেন থেকে ১২জন সফর সঙ্গী নিয়ে ভারতবর্ষের দিকে রওয়ানা হয়ে ১৩০০ খ্রীস্টাব্দে দিল্লীতে আসেন।
দিল্লী থেকে ১৩১৫ খ্রীস্টাব্দে বাংলাদেশের সিলেটে (শ্রীহট্ট) আসা পর্যন্ত তার সফর সঙ্গী হন ৩৫৯ জন, এবং তিনিসহ ৩৬০জন। কারো কারো মতে ৩১৩ জন আউলিয়া ছিলেন। জন্ম তারিখ ৬৭০ হিজরী ও ১২৭১ খ্রীস্টাব্দে এবং ৭৬ বছর জীবদ্দশার পর অর্থাৎ ৭৪৬ হিজরী ও ১৩৪৭ খৃষ্টাব্দে তিনি সিলেটেই ইনত্দেকাল করেন। সিলেট অঞ্চলে ৩২বছর স্থায়ীভাবে বসবাস ও ইসলাম ধর্ম প্রচার করেন। ইসলাম ধর্ম প্রচারে তার শিষ্যদের ভারত উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রেরণ করেন। হজরত শাহজালাল (রঃ)'র আগমণেরও প্রায় দু'শত বছর পূর্বে অর্থাৎ ১১১২সালে ইয়েমেন থেকে আসা শাহ্ মোহাম্মদ আব্বাস হুসাইনী নামক একজন দরবেশ  কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার রাজামেহার গ্রামে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করে ইসলাম ধর্ম প্রচার শুরু করেছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁর বংশধরগণ এখনো বংশ পরষ্পরায় এখানে বসবাস করছেন।
হজরত শাহজালাল (রঃ)'র আগমন, তার সাথে আসা ৩৫৯ আউলিয়া এবং পরিবতর্ীতে শিষ্যত্ব গ্রহণকারী আউলিয়াদের অবস্থান, পরিচিতি, সময়কাল ও মাজার নিয়ে ইসলামি গবেষক ও চিনত্দাবিদদের মধ্যে নানা মূখী বিতর্ক ও অনেক মতানৈক্য রয়েছে। তাছাড়া এ অঞ্চলে ইসলাম ধর্ম প্রচারে আসা ৩৬০আউলিয়ার পরবতর্ী ধাপে আসা অনেকে বুজুর্গ আউলিয়াই হজরত শাহজালাল (রঃ)'র শিষ্যত্ব গ্রহণপূর্বক তাদের কেরামতি, সুনাম-সুখ্যাতি নিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শায়িত আছেন।
হজরত শাহজালাল (রঃ)'র দ্বিতীয় পর্যায়ে শিষ্যত্ব গ্রহণকারী (৩৫৯ আউলিয়ার পরে) দেবীদ্বার এলাহাবাদ'র উটখাড়া'র শাহ্ কামাল (রঃ)'র কথা জানা যায়।  কুমিল্লা জেলা প্রশাসন থেকে প্রকাশিত ' কুমিল্লা জেলার ইতিহাস' গ্রন্থে  কুমিল্লায় ইসলাম ধর্ম প্রচারের কথা বিসত্দারিত ভাবে উলেস্নখ করা হয়েছে। এছাড়া 'পূর্ববঙ্গের আউলিয়া কাহিনী' গ্রন্থেও এর উলেস্নখ আছে। তবে দেবিদ্বার এদের আগমণ কত হিজরী বা সনে ঘটেছে তার কোন সঠিক দিন-ৰণ পাওয়া যায়নি। অনুমান করা হচ্ছে ত্রয়োদশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকের শেষ দিকে হজরত শাহজালাল (রঃ)'র শিষ্য ও প্রধান সিপাহ সালার হজরত নাছিরউদ্দিন শাহ্ (রঃ)'র সাথে শ্রীহট্টের (সিলেট'র) অত্যাচারী রাজা গৌড়গোবিন্দ রায়'র বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালিত হয়,ওই যুদ্ধে গৌড়গোবিন্দ পরাজিত হন।
ওই সময় সম্ভবতঃ ত্রয়োদশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকের প্রথম দিকে হজরত শাহজালাল (রঃ)'র শিষ্যদের মধ্যে অভ্যনত্দরীণ দ্বন্দ্ব দেখা দিলে তার দুই শিষ্য হজরত শাহ্ কামাল (রঃ), হজরত শাহ্ ইসরাঈল (রঃ)কে ইসলাম ধর্ম প্রচারে অন্যত্র যাওয়ার নির্দেশ দেন। কোথায় গিয়ে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করে ইসলাম ধর্ম প্রচার শুরু করবেন, তার কোন নির্দিষ্ট এলাকা নির্ধারণ না করে দিলেও তাদের প্রতি নির্দেশনা ছিল, তোমাদের এই বাহন (উট)ই তোমাদের দ্বীন প্রচার কেন্দ্র নির্দিষ্ট করে দেবে, তোমাদের বহনকারী বাহন অর্থাৎ উট যেখানে গিয়ে থেমে যাবে বা উটের পা বালি কিংবা মাটিতে গেড়ে যাবে সেখানেই স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন ও ইসলাম ধর্ম প্রচার শুরু করবে। (সূত্রঃ হজরত মাওলানা রুহুল আমিন'র 'বাংলা ও আসামের পীর আউলিয়া কাহিনী') এবং আল্লহই তোমাদের উত্তম পথ প্রদর্শক। ওই সময় হজরত শাহ্ কামাল (রঃ)'র সাথে তার সহোদর হজরত শাহ্ জামাল (রঃ) এবং হজরত শাহ্ ইসরাঈল (রঃ)'র সাথে তার ভাগ্নে হজরত শাহ্ মোহাম্মদ নুরুদ্দিন (রঃ) সাথী হিসাবে ছিলেন বলে জানা যায়।
 কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার উপজেলার এলাহাবাদ গ্রামে এসে বালিতে উটের পা গেড়ে গিয়ে উট থেমে গেলে তারা এখানেই বসতি স্থাপন ও ইসলাম ধর্মপ্রচার শুরু করেন। বর্তমানে এলাহাবাদ গ্রামের ওই জায়গাটি উটখাড়া (গ্রামের পরিচয়ে) মাজার নামে পরিচিত এবং এ অঞ্চলে আল্লহ্'র 'আবাদ' প্রচার ও প্রসার শুরু করায় উটখাড়াসহ বিশাল এলাকা আল্লহর আবাদ থেকে কালক্রমে 'এলাহাবাদ' নামে পরিচিতি লাভ করে। উটখাড়া মাজারটি  কুমিল্লা জেলা সদর থেকে  কুমিল্লা-সিলেট মহা সড়ক হয়ে প্রায় ২৯ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে দেবীদ্বার সদর এবং দেবীদ্বার সদর থেকে পূর্ব-দৰিনে প্রায় ৭কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
কারো কারো মতে হজরত শাহ্ কামাল (রঃ)'র সাথে হজরত শাহ্ জামাল (রঃ) এখানে (এলাহাবাদ গ্রামের উটখাড়া) থেকে যান এবং হজরত শাহ্ কামাল(রঃ)'র অপর দু'সফর সঙ্গী হজরত শাহ্ ইসরাইল (রঃ) ও হজরত শাহ্ মোহাম্মদ নুরুদ্দিন (রঃ) পাশর্্ববতর্ী বুড়িচং উপজেলার ভারেল্ল গ্রামে চলে যান। হজরত শাহ্ জামাল (রঃ) হজরত শাহ্ কামাল (রঃ) সম্পর্কে সহোদর বলেও জানা যায়। আর শাহ্ ইসরাঈল (রঃ) এবং শাহ্ নুরুদ্দিন (রঃ) সম্পর্কে মামা ভাগ্নে। শাহ্ ইসরাঈল (রঃ)'র ভাগ্নে ছিলেন শাহ্ নুরুদ্দিন (রঃ)। উলেস্নখ্য শাহ্ ইসরাঈল(রঃ) ও শাহ্ নুরুদ্দিন (রঃ)'র মাজার  কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কংশনগর বাস স্টেসনের তিন কিলোমিটার দৰিনে ভারেল্ল গ্রামে অবস্থিত। মাজারটি সরকারী ভাবে রেজিস্ট্রেসনকৃত এবং প্রতিদিন বহু ভক্ত মাজার জিয়ারতে আসেন।
মৌলানা ছৈয়দ শাহ্ শেরআলী (রঃ)'র লিখা 'ছহি জোয়াহেরে মারফত ও শেরগঞ্জ' গ্রন্থে ত্রীপুরা(বর্তমান  কুমিল্লা)'র পাইটকারা ভারেল্লা গ্রামের দু'আউলিয়া হজরত শাহ্ কামাল (রঃ) হজরত শাহ্ ইসরাঈল (রঃ); হজরত শাজালাল (রঃ)'র সাথে আসা ৩৫৯ আউলিয়ার সাথী ছিলেন না। তারা (হজরত শাহ্ কামাল (রঃ), শাহ্ ইসরাঈল (রঃ) ও হজরত শাহ্ নুরুদ্দিন (রঃ)) হজরত শাজালাল (রঃ)'র পরবর্তী দ্বিতীয় পর্যায়ে শিষ্যত্ব গ্রহনপূর্বক তারই নির্দেশে এদেশে এসে ইসলাম ধর্ম প্রচার শুরু করেন।
খান বাহাদুর আফজালুর রহমান স্ট্যাট'র আওতায় হজরত শাহ্ ঈসরাফিল (রঃ) উটখারা ওয়াকফ ষ্ট্যাট'র নামে নিজস্ব সম্পত্তি ছিল প্রায় একশত এগার একর। কালক্রমে ওই জায়গা বেদখল হয়ে বর্তমানে প্রায় তেইশ একর বার শতক জমি থাকলেও মাজারের নামে ওয়াক্ফ করা হয়েছে আরো কম। মাত্র দশ একর সাতাশি শতক। ওয়াক্ফকৃত জায়গায় মাজারের অংশ তেইশ শতক ছাড়া বাকী প্রায় দশ একর চৌষট্টি শতক সম্পত্তি বেদখল হয়ে আছে। ওই জায়গায় একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি সমাজ কল্যাণ অফিস ও একটি দিঘি ও একাধিক ছোট পুকুর রয়েছে। মাজারে ৪১টি কবর আছে। তবে বংশানুক্রমে হজরত শাহ কামাল(রঃ) ও হজরত শাহ জামাল(রঃ)'র আর কারোর অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি।
অবস্থান: 
উটখাড়া, দেবিদ্বার, কুমিল্লা



সুস্থ হার্ট সুস্থ জীবন

সুস্থ হার্ট সুস্থ জীবন

সুস্থ হার্টসু স্থ জীবন

আমরা জানি সুস্থা হার্ট সুস্থ জীবন। আর দুর্বল হার্ট মানেই হিম শীতল মৃত্যুর দিকে ধাবিত হওয়া। আমাদের শুনতে খারাপ লাগালেও একখা সত্য বর্তমানে হৃদরোগে অধিক লোক মারা যাচ্ছে।  তাই আজই হার্টের যতেœ মনযোগ দিন। হার্টের প্রধান শত্রু কোলেস্টরেল।  কেলেষ্টরেলের মাত্রা অধিক হলে হার্ট এটাক হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে তাই আপনার খাদ্য তালিকা থেকে মদ চর্বি ঝেড়ে ফেলুন ।  রেডমিট,  মাখন, চীজ, , বিস্কুট ও কেকে এরণের চর্বি থাকে। হৃদরোগ প্রতিরোধের জন্য এন্টি -অক্সিডেন্টাল খাবার প্রয়োজন। এ ধরণের খাবার ধমনীতে প্লাক সৃষ্টির প্রবনতা কমায়। ভিটামিন সি, ভিটামিন বি ও ভিটামিন এ জাতীয় খাবার খেলে হৃদপিন্ড ভাল থাকে । টাটকা ফলুমূল ও সবজি হল এন্টি অক্সিডেন্টের একটি প্রধান উৎস। াতাই গাজর, লাল মরিচ, মিষ্টি আলু পাতাওয়ালা সব্জী ,টক জাতীয় ফল, বাদাম, অঙ্কুরিত গম, চা ,আপেলের  খোসা,  মাছ, ডিমের কুসুম, শস্যকণাযুক্ত সিরিয়াল, কলিজা ও ডাল জাতীয় শস্য বেশী খেলে হার্ট ভাল থাকবে। এছাড়া হার্ট ভাল রাখতে হলে রায়ু দুষন থেকে দূরে থাকতে হবে। ৪০ জন মধ্যবয়সী স্বাস্থ্যবান লোকের ওপর গবেষণা করে দেখেছেন তাদের অনেকেই হার্টের সমস্যায় ভুগছেন । তাই হার্টটাকে সুস্থ রাখতে বায়ু দুষন থেকেও বাঁচতে হবে। এছাড়া ব্যায়ামের ব্যাপারেটি  হালকা করে দেখার উপায় নেই।

মমিনুল ইসলাম মোল্লা
প্রেসিডেন্ট , কনফিডেন্ট (লিসেনার্স) ক্লাব, 
এলাহাবাদ,কুমিল্লা-৩৫৩১।



👫ঘুরে দেখুনঃ জীবনান্দ দাসের ঝালকাঠি

👫ঘুরে দেখুনঃ জীবনান্দ দাসের ঝালকাঠি




  👉 
👫ঘুরে দেখুনঃ জীবনান্দ দাসের ঝালকাঠি
👫ঘুরে দেখুনঃ জীবনান্দ দাসের ঝালকাঠি
নিসর্গ
বণভূমি, সমুদ্র বেষ্টত উর্বরা ভূখন্ড, প্রকৃতির উজার করা সম্পদ সম্ভারে সমৃদ্ধ দেশের মানচিত্রে এক গুরুত্ব অবস্থান রয়েছে ঝালকাঠির হ্যাঁ, প্রিয়পাঠক, ঝালকাঠি যদি যেতে চান শীতকালেই পরিকল্পনা করেন
👌কিভাবে যাবেনঃ ঝালকাঠি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি জেলা, সেখানে ট্রেন যোগাােগ নেই বিআরটিসির বাসে চড়ে যেতে পারবেন তবে নৌপথে যাওয়াই ভাল লঞ্চযোগে যেতে চাইলে আপনি আপনার পরিবার পরিজন বন্ধু বান্ধব নিয়ে সদর ঘাটে চলে আসুন এখান থেকে লঞ্চ অথবা সরকারি স্টিমার সর্ভিসে যেতে পারবেন শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টায় একটি স্টিমার খুলনার উদ্দেশ্য ছেড়ে যায় আপনি এই স্টিমারে চরেও যেতে পারবেন
কোথায় থাকবেনঃ ঝালকাঠি শহরে মোটামুটি মানের হোটেল পাবেন সেখানে রাত্রি যাপন করতে কোন সমস্যা হবে না ঝালকাঠি গিয়ে চা খেতে খেতে সেখানকার লোকদের মুখে শুনবেন প্রাচীনকালে একদল জেলে মাছ শিকার করতে এখানে আসত তারা সুগন্ধা নদীর তীরে যাযাবরের মতো বাস করত সেখানে জেলেদের পেশাগত পরিচিতিকে ঝালো বলা হতো এখানে প্রচুর মাছ পাওয়া যাওয়ায় তারা জঙ্গলকেটে বসতি গড়ার জন্যে প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরী করে এভাবে জেলে থেকে ঝালো এবং জঙ্গল কেটে বসত গড়ার জন্য কাটি শব্দের প্রচলন হয়ে ঝালকাঠি শব্দের উৎপত্তি হয় পরবর্তীতে ঝালকাঠি শব্দের উদ্ভব হয়
👎যা যা দেখবেনঃ
 👋বাড়ি (তালুকদার বাড়ি)
ঝালকাঠির একটি দর্শনীয় স্থান হচ্ছে রাজাপুর তালুকদার বাড়ি এক সময় ঝালকাঠিতে হিন্দুদের প্রভাব প্রতিপত্তি ছিল ঈর্ষনীয় এখন দিন বদলে গেছে বেড়েছে মুসলমানদের মর্যাদা, অন্যদিকে প্রভাবশালী হিন্দুরা চলে গেছে পার্শ্ববর্তী দেশে অন্যরা কোন রকমে টিকে আছে রাজাপুর কয়েকটি হিন্দু বাড়ির মধ্যে একটি দীন বন্ধু তালুকদার বাড়ি যা উপজেলার বতু কৈবর্তখালী গ্রামে অবস্থিত জমিদারী বিলুপ্তি ঘোষণার পর থেকেই ঐতিহ্য হারাতে থাকে তালুকদার বাড়ি তালুকদার বাড়ির অনেক কিছুই ধ্বংস হয়ে গেছে তবে এখনও টিকে আছে একটি মন্ডপ ঘর এটি উন্নতমানের মার্বেল পাথরে আবৃত জনশ্রুতি রয়েছে এই মন্ডঘরের মাঝে অনেক গুপ্তধধন লুকিয়ে ছিল এগুলো চুরি হয়ে গেছে এগুলো নিয়ে কয়েকটি পরিবার রাতারাতি বড়লোক হয়ে গেছে মন্দিরের পাশে দুটি ভরাট দিঘি দেখতে পাবেন দীন বন্ধু তালুকদারের দুই পুত্র অরুন তালুকদার বরুন তালুকদার বাগেরহাট জেলার মোগলগঞ্জের ঘশিয়াখালীতে বসবাস করছে এখানেও তাদের আকর্ষনীয় ঘর বাগি রয়েছে
💁 শেরে বাংলার জমিদার বাড়ি (রাজাপুর) শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের জন্মস্থান রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়ায় সেখানে গিয়ে শেরে বাংলার স্মৃতি বিজরিত ভগ্নপ্রায় বাড়িটি দেখে মনে পড়বে বাংলার বাঘের কথা কিন্তু সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা বঞ্চিত অনাদার অবহেলায় পড়ে থাকা বাড়টি দেখে আপনার কন্ঠে লাগবে এই জমিদার বাড়ির পুরাতন ভবনগুলোর ছাদ য়োল বিদীর্ণ করে জঞ্জালের মতো ঘিরে রেখেছে নানা আগাছা, মোগল স্থাপত্যের আদলে তৈরী কররা ভবনগুলো থেকে খসে পড়ছে চুন সুড়কি, বাড়ির চারপাশ জঙ্গলে পরিপূর্ন, রাতে এই বাগিটি ভুতুরে আকার ধারণ করে শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের পিতৃবাড়ি বরিশালের চাখার হলেও সাতুরিয়া (মামারবাড়ি) সাথে তার শৈশব স্মৃতি জড়িত ছিল এখানে বসেই তিনি কৃষকদের জতন্য লাঙ্গল যার, জমি তার নানা ভিত্তিতে প্রজাস্বত্বের ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করেছিলেন
✋👩 জীবনান্দ স্মৃতি বিজরিত ধানসিঁড়িঃআবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়ি নদীর তীরে এই হয়তোবা শঙ্খচিল শালিকের বেশে কবিতাটি শোনেননি এমন কাব্য প্রেমিক লোক বাংলাদেশে খুব কমই রয়েছে কবি যে ধানসিঁড়ি নদীকে নিয়ে কবিতাটি লিখেছেন নদীর তীরে কিছুক্ষণ বসুন নদীর তীরে বসে স্থনীয় লোকদের সাথে আলাপকালে জানবেন কবি জীবনান্দ দাশের পূর্ব পুরুষের বসবাস ঢাকার বিক্রমপুরের গাউছিয়া তার পিতামহ সর্বানন্দ দাশ কর্মসূত্রে বরিশাল শহরে এসে বসবাস শুরু করেন তার জীবনের অধিকাংশ সময় কেটেছে বরিশাল শহরের বগুড়া রোডের পৈত্রিক বাড়িতে
আরো যা যা দেখবেনঃ ঝালকাঠির আরো কয়েকটি আকর্ষণীয় স্থান না দেখে তৃপ্তি পাবেন না এগুলো হচ্ছে রাজাপুরের মোঘল আমলে সুরিচোড়া জামে মসজিদ সদর উপজেলার ঘোষাল রাজপ্রাসাদে ধ্বংসাবশেষ, নুরুপাল্লার মাঠ কাঠালিয়া উপজেলার শহীদ হেমায়েত উদ্দিন স্মৃতিস্তম্ভ
💃 কি কি নিয়ে আসবেন? ঝালকাঠিথেকে ফিরে  আসার সময় ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী শীতল পাটি গামছা নিয়ে আসবেন হাতে সময় থাকলে শীতল পাটির ছোট খাট প্রতিষ্ঠানগুলো ঘুরে দেখতে পারেন রাজাপুর উপজেলার কয়েকটি গ্রামে দুশো বছর ধরে শীতল পাটি বুনন চলছে এছাড়া ঝালকাঠির ভবানীপুর, ইছানীল বাসন্ডা গ্রামে যেতে পারেন এখঅনে ঐতিহ্যবাহী গামছা তৈরী হয়
মোঃ মমিনুল ইসলাম মোল্লা

👫ঘুরে দেখুন -পূণ্যভূমি সিলেট

👫ঘুরে দেখুন -পূণ্যভূমি সিলেট


ঘুরে দেখুন -পূণ্যভূমি সিলেট
ঘুরে দেখুন -পূণ্যভূমি সিলেট


👉পাহাড়, ঝর্ণা, চা বাগান খ্যাত পূণ্যভূমি সিলেট। চলুননা বেরিয়ে আসি সিলেট থেকে। হযরত শাহজালালের সিলেট অভিযানের সময়(১৩০৩ খৃঃ) গৌড় গোবিন্দ সুরমা নদীর মূল ভূখন্ডের চারপাশে এক পাথর প্রাচীর খাড়া করেছিলেন। হযরত শাহজালাল (রঃ) প্রাচীরের কাছে গিয়ে উচ্চ কন্ঠে হুক্কার দিলেন শিলহট্ট অর্থাৎ পাথর হটে যাও। অনেকে মনে করেন এই শিলা হট্ট থেকেই সিলেট নামের উৎপত্তি।
👌যেভাবে যাবেন ঃ ঢাকার সায়দাবাদ থেকে ঢাকা-সিলেট বিলাসবহুল বাসে যেতে পারেন। ট্রেনে যেতে হলে কমলাপুর যাবেন। সকাল ৮টার পারাবাতে উঠলে সুবিধে হবে। বিমানে গেলে আধা ঘন্টায় পৌছাতে পারবেন।
👋যেখানে থাকবেন ঃ স্টেশনে থেকে সরাসরি হোটেলে যাবেন। এব্যাপারে পর্যটন হোটেল, হোটেল হিল টাউন(তালতলা) হোটেল প্লাজায় উঠতে পারেন। চাং পাই চাইনিজ রেস্টুরেন্ট (জিন্দাবাজার) অথবা জয়নার কিং রেস্টুরেন্ট থেতে পারেন।
👎যা যা দেখবেনঃ
👇হযরত শাহজালালের মাজার ঃ ৩৬০ আউলিয়ার দেশে সিলেট। হযরত শাহজালের দেশে সিলেট। সিলেট শহরেই দেখবেন হযরত শাহজালাল ও শাহপরানের মাজার। এদুটি মাজার জেয়ারত করুন। মাজারের পুকুরে দেখবেন গজার মাছ।
👆 গোবিন্দ টিলা ঃ হিন্দু রাজা গৌড় গোবিন্দ ছিলেন অত্যাচারী শাসক । তার সাথে হযরত শাহজালের যুদ্ধ হয়। মাজারে পাশে টিলাটি দেখতে পারেন। এখানে ঘৌড় গৌবিন্দ বাস করতেন। একন ও কিছু ধ্বংসাবশেষ রয়েছে।
💁 আলী আমজাদের ঘড়ি ঃ সুরমা নদীর তীরেই দেখতে পাবেন আলী আমজাদের ঘড়ি। কুলাউড়ার প্রিথিম পাশার জমিদার আলী আমজাদ খান এ ঘড়ি স্থাপন করেছিলেন। বড় লটাকে চমকে দেয়ার জন্য ১৮৪৭ সালে তিনি এটি নির্মাণ করেন। এটি চাবি দিয়ে চালোনো হয়। বিদ্যুৎ বা ব্যাটারীর প্রয়োজন হয় না।
✋👩 কীন ব্রীজ ঃ সুরমা নদীর  উপর এ ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়েছে। কীণ ব্রীজকে কেউ কেউ সুরমা ব্রীজ ও বলে ব্রীজের আদলে তৈরি করা হয়েছে।
☝ওসমানী যাদুঘর ও শিশু উদ্যান ঃ কোটি পয়েন্টার কাছে নারপুলে দেখবেন ওসমানী যাদুঘর। এখাণে তার ব্যবহৃত বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী দেখতে পাবেন। দেকবেন ওসমানী  শিশু উদ্যান। এখানে বিনোদনের জন্য ১৪টি আইটেম আছে। এগুলোর মধ্যে চলন্ত মিনি ট্রেন, সুপার চেয়ার, ভাইকিং বোট, রোলার স্টেটিং  ওয়াটার স্লাইড ও প্যাডেল বোট অন্যতম।
💃গড় দুয়ারের ঢিবি ঃ শহরেই দেখবেন গড় দুয়ারের ঢিবি, এবং বেশী ভাগ স্থানে একনও অনেক দালান কোঠার ধ্বংসশেষ রয়েছে। ঢিবি সামনে ২০০০*১২০০ ফুট আয়তন বিশিষ্ট একটি দিঘি ছিল। বর্তমানে এটি সমতল হয়ে গেছে।
👾 জাফলং ঃ সিলেটের একটি অন্যতম পর্যটন আকর্ষন জাফলং। এটি সিলেট শহর থেকে ৬০কিঃ মিঃ দূরে তামাবিল সীমান্তবর্তী । খোয়াই নদীর তীরে যাবেন।
এখানে দেখবেন সারি সারি পাথর সাজানো। কয়েকটি পাথন ভাঙ্গার ক্রাসার মেশিন রয়েছে। পাথর শ্রমিকরা নদীতে ডুব দিয়ে পাথর উঠায়। আপনি এ নদীতে গোসল করতে পারেন। এখানে রং বেরঙের পাথর দেখতে পাবেন। সোনালী রঙের চকচকে পাথর। 
👧 খাসিয়া পল্লী ঃ জাফলং এ দেকতে পারেন ঐতিহ্যবাহী খাসিয়া পল্লী। খাসিয়াদের জীবন যাপন প্রণালী ভিন্ন রকম। তাদের রয়েছে আলাদা সংস্কৃতি। আপনি খাসিয়া পল্লীতে ঘুরাফেরা করে বিচিত্র অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারেন। বাঁশ দিয়ে তৈরি উচু বাড়িগুলো দেখতে খুবই চমৎকার। খাসিয়া পানের কদর দেম জুড়ে। আপনি ইচ্ছে করলে সেখানে থেকে পান নিয়ে আসতে পারেন।
💁শ্রী চৈতান্য মন্দির ঃ সিলেট শহর থেকে ৪৫ কিঃ মিঃ দক্ষিনে পূর্বে অবস্থিত ঢাকা দক্ষিনে এখানে শ্রী চৈতান্য দেব নিজ হাতে শ্রী শ্রী বিশ্বাম্বর মূর্তি স্থাপন করেন। এ মন্দিরের বয়স প্রায় ৫০০ বছর। এখানে প্রতি বছর ফাল্গুনী পুর্নিমাতে হাজার হাজার ভক্ত সমবেত হয়।
👹 জৈন্তাপুরের রাজ বাড়ী ঃ সিলেট শহর থেকে জৈন্তাপুর বাজারে একটি পুরাতন বাড়ী দেখবেন। এটি রাজা যশোমানিক রাজার বাড়ী। এখানে একটি বৈধ্যভূমি রয়েছে। এখানে নরবলী দেয়া হতো।
লাকাতুয়া চা বাগান দেখার মাধ্যমে আপনি সিলেট ভ্রমন শেষ করতে পারেন। এটি দেখার পর বাড়ী ফেরার পালা। হাত  আরেকটু সময় থাকলে এসসি কলেজ এবং ঈদগাহটি দেখে নিন।
মমিনুল ইসলাম মোল্লা


কোন জেলা কি জন্য বিখ্যাত

কোন জেলা কি জন্য বিখ্যাত

কোন জেলা কি জন্য বিখ্যাত


কোন জেলা কি জন্য বিখ্যাত**নাটোর- কাঁচাগোল্লা, বনলতা সেন** রাজশাহী- আম, রাজশাহী সিল্ক শাড়ী** টাঙ্গাইল- চমচম, টাংগাইল শাড়ি** দিনাজপুর- লিচু, কাটারিভোগ চাল, চিড়া, পাপড়**বগুড়া- দই** ঢাকা- বেনারসী শাড়ি, বাকরখানি**কুমিল্লা- রসমালাই, খদ্দর (খাদী)**চট্রগ্রাম- মেজবান, শুটকি** খাগড়াছড়ি- হলুদ**বরিশাল- আমড়া** খুলনা- সুন্দরবন, সন্দেশ, নারিকেল, গলদা চিংড়ি** সিলেট- কমলালেবু, চা, সাতকড়ার আচার** নোয়াখালী- নারকেল নাড়, ম্যাড়া পিঠা** রংপুর- তামাক, ইক্ষু**গাইবান্ধা,চাঁপাইনবাবগঞ্জ- আম, শিবগঞ্জের চমচম, কলাইয়ের রুটি** পাবনা- ঘি, লুঙ্গি, পাগলাগারদ** সিরাজগঞ্জ- পানিতোয়া, ধানসিড়িঁর দই**গাজীপুর- কাঁঠাল, পেয়ারা**ময়মনসিংহ- মুক্তা-গাছার মন্ডা** কিশোরগঞ্জ- বালিশ মিষ্টি** জামালপুর- ছানার পোলাও, ছানার পায়েস** শেরপুর- ছানার পায়েস, ছানার চপ** মুন্সীগঞ্জ- ভাগ্যকুলের মিষ্টি** নেত্রকোনা- বালিশ মিষ্টি** ফরিদপুর- খেজুরের গুড়** রাজবাড়ী- চমচম, খেজুরের গুড়** মাদারীপুর- খেজুর গুড়, রসগোল্লা**সাতক্ষীরা- সন্দেশ**বাগেরহাট- চিংড়ি, ষাটগম্বুজ মসজিদ, সুপারি** যশোর- খই, খেজুর গুড়, জামতলার মিষ্টি** মাগুরা- রসমালাই** নড়াইল- পেড়ো সন্দেশ, খেজুর গুড়, খেজুর রস** কুষ্টিয়া- তিলের খাজা, কুলফি আইসক্রিম** মেহেরপুর- মিষ্টি সাবিত্রি, রসকদম্ব** চুয়াডাঙ্গা- পান, তামাক, ভুট্টা** ঝালকাঠি- লবন, আটা**ভোলা- নারিকেল, মহিষের দুধের দই** পটুয়াখালী- কুয়াকাটা** পিরোজপুর- পেয়ারা, নারিকেল, সুপারি, আমড়া** নরসিংদী- সাগর কলা** নারায়নগঞ্জ- আইভি আফা** নওগাঁ- চাল, সন্দেশ** মানিকগঞ্জ- খেজুর গুড়** রাঙ্গামাটি- আনারস, কাঠাল, কলা** কক্সবাজার- মিষ্টিপান** বান্দরবান- হিল জুস, তামাক** ফেনী- মহিশের দুধের ঘি, সেগুন কাঠ, খন্ডলেরমিষ্টি** লক্ষীপুর- সুপারি** চাঁদপুর- ইলিশ**